রোজ শনিবার, ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৩৩

শিরোনামঃ
১৩ (তের) পুরিয়া গাঁজা সহ গ্রেফতার ০১ ৭২ (বাহাত্তর) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার ০১ এইচ টি ইমাম আর নেই বরিশালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালিত চরফ্যাসন পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন সিদ্দিকুর রহমান মোক্তাদী ২য় বারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন মিজানুর রহমান মঞ্জু চরফ্যাসন পৌরসভার মেয়র হলেন নৌকার কান্ডারী এসএম মোরশেদ “মামলা তদন্তে অদক্ষতা, অলসতা, অমনোযোগীতা গাফিলতি, পক্ষপাতিত্ব বা অপেশাদারীত্বের অভিযোগ পেলে, কঠোর বিভাগীয় ব্যাবস্থা। ” মাসিক কল্যাণ সভায় বিএমপি কমিশনার। বাবুগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত কাশিপুর ইউনিয়নে স্মার্ট কার্ড বিতরন করা হবে আগামী ৬ ই মার্চ
অবসর নিতে বাংলাদেশকেই কেন বেছে নিলেন শ্রীলংকার লাসিথ মালিঙ্গা?

অবসর নিতে বাংলাদেশকেই কেন বেছে নিলেন শ্রীলংকার লাসিথ মালিঙ্গা?

অনলাইন স্পোর্টস ডেস্কঃ বাংলাদেশের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটিই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ শ্রীলঙ্কার ঝাঁকড়া চুলের পেসার লাসিথ মালিঙ্গার। এরপর আর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যাবে না ডানহাতি এ পেসারকে।

এ সিরিজটি তিন ম্যাচের হলেও, মালিঙ্গা খেলবেন শুধু প্রথম ম্যাচেই। এমনটা হলে তো বিশ্বকাপেই বিদায় জানাতে পারতেন তিনি। তা না করে বাংলাদেশের বিপক্ষে হোম সিরিজের অপেক্ষা করলেন কেনো?

সে বিষয়ে জবাব দিয়েছেন মালিঙ্গা। তিনি মূলত দেশের মাটিতে, চেনা পরিবেশে অবসর নেয়ার জন্যই বাংলাদেশের বিপক্ষে এ সিরিজটি বেছে নিয়েছেন। আর যেহেতু অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন, তাই পুরো সিরিজ না খেলে স্রেফ এক ম্যাচের জন্যই এসেছেন তিনি।

এক ভিডিও বার্তায় মালিঙ্গা বলেন, “আমার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল দেশের মাটিতে। তাহলে কেন দেশের বাইরে অবসর নেব? নিজের দেশের সমর্থকদের সামনেই আমি অবসর নিতে চাই। যারা এতদিন আমাকে সমর্থন ও প্রেরণা জুগিয়ে এসেছেন, তাদের ভালোবাসার জোয়ারে ভেসে বিদায় নেয়ার আশায় বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে অবসর ঘোষণা করিনি।”

তবে দেশের মাটিতে অবসর নিলেও, মালিঙ্গা বুঝতে পেরেছিলেন বিশ্বকাপ শেষেই তার থামা উচিৎ। যে কারণে অবসরটি বেশি প্রলম্বিত করেননি তিনি। জাতীয় দলে তরুণদের জায়গা করে দেয়ার জন্যই যথাযথ সময়ে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

মালিঙ্গা বলেন, “২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর মাহেলা জয়বর্ধানে, কুমার সাঙ্গাকারা, দিলশানরা অবসর নেয়। এবারের বিশ্বকাপ শেষে আমার মনে হয়েছে থামা দরকার। সামনের দিকে তাকিয়ে নতুনদের সুযোগ দিতে হবে। তাদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। তারা পারে, ভবিষ্যতেও পারবে। আর সে জন্য ক্রিকেটের প্রতি নিজেদের উৎসর্গ করতে হবে তাদের। উন্নতি ঘটিয়ে নিজেদের অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে যেতে হবে। এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে জানতে হবে।”