রোজ মঙ্গলবার, ২৬শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৫১

শিরোনামঃ
মেহেন্দিগঞ্জের শ্রীপুরে অবৈধভাবে চরের মাটি কাটার দায়ে ৬ জনকে জেল; ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় অবশেষে লঞ্চ ধর্মঘট প্রত্যাহার বরিশালে অবৈধভাবে চরের মাটি কাটার দায়ে জেল-জরিমানা বরিশাল-ঢাকা নৌ রুটে লঞ্চ শ্রমিকদের আকস্মিক ধর্মঘটে বিপাকে যাত্রীরা। মেহেন্দিগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠন, আহবায়ক জাহাঙ্গীর, যুগ্ন আহবায়ক ফিরুজ-ডিকেন-ফয়সাল বরিশাল সদর উপজেলায় ১৫৭টি ঘর ও জমির দলিল হস্তান্তর মুজিববর্ষ উপলক্ষে মেহেন্দিগঞ্জে ১শ পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি হস্তান্তর বিএমপি’র অভিযানে ০১(এক) কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার ০২ (দুই) মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঘর উপহার পাচ্ছেন বিভিন্ন পেশার ৪৫০ পরিবার পটুয়াখালীর মহিপুরে গাছ বোঝাই টমটম উল্টে পিতা পুত্র হতাহত।
দেশের প্রথম পেশাদার নারী আলোকচিত্রি সাইদা খানম’র চির বিদায়

দেশের প্রথম পেশাদার নারী আলোকচিত্রি সাইদা খানম’র চির বিদায়

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রথম পেশাদার নারী আলোকচিত্রি সাইদা খানম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন), সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে তিনি মারা গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

সাইদা খানমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক শোকবার্তায় বলেন, “সাইদা খানম তার কর্মের মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।”

সাইদা খানম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্য ও লাইব্রেরি সায়েন্সে মাস্টার্স করেন। বাবা আবদুস সামাদ খান ও মা নাছিমা খাতুন। ১৯৩৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন।

মাত্র ১২ বছর বয়সে তার ছবি তোলায় হাতেখড়ি। যখন মুসলিম পরিবারের নারীরা পড়াশোনা করাই দুরহ বিষয়, তখন ছবি তোলা তো চিন্তাই করা যায় না।

বেগম পত্রিকার মাধ্যমে সাইদা খানম আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর তার ছবি ছাপা হয় অবজারভার, ইত্তেফাক, সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। আলোকচিত্রী হিসেবে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নেন তিনি। সত্যজিতের একাধিক ছবিতে আলোকচিত্রী হিসেবেও কাজ করেন তিনি।

দেশের বাইরে ভারত, জাপান, ফ্রান্স, সুইডেন, পাকিস্তান, সাইপ্রাস ও যুক্তরাষ্ট্রে তার তোলা ছবির বেশ কয়েকটি প্রদর্শনী হয়। জাপানে ইউনেসকো অ্যাওয়ার্ড, অনন্যা শীর্ষ দশ পুরস্কার, বেগম পত্রিকার ৫০ বছর পূর্তি পুরস্কার, বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সম্মানসূচক ফেলোসহ বিভিন্ন স্বীকৃতি পান তিনি।

ছবি তোলার পাশাপাশি লেখালেখি করতেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘ধূলোমাটি’, ‘স্মৃতির পথ বেয়ে’, ‘আমার চোখে সত্যজিৎ রায়’। তিনি বাংলা একাডেমি ও ইউএনএবির আজীবন সদস্য ছিলেন।