রোজ বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:২৬

শিরোনামঃ
মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অব্যাহত অভিযানে ৬৭ জেলের কারাদন্ড এবং লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায় পলাশপুর কলোনীতে মহানগর গোয়েন্দা বিএমপি’র ব্লক রেইড। মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ণ মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় ৫৯ জেলের কারাদন্ড; ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়৷ সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানালেন হাজী মোঃ শরিফুল হক শারদীয় দুর্গা পূজা উদযাপন উপলক্ষে সদর উপজেলা ও মহানগরের পূজা মণ্ড‌পে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর অনুদান অনলাইনে নয় সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা ঢাবিতে, স্ব স্ব বিভাগে পরীক্ষা দেয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন এক আঙিনায় মসজিদ ও মন্দির সহাবস্থানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মা ইলিশ রক্ষায় ইউএনও-র অভিযানে ৩৫ জেলের কারাদন্ড; ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায়
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৭ জন দালাল আটক

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৭ জন দালাল আটক

ধানসিঁড়ি নিউজ।। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে রোগির দালাল চক্রের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় জেলা প্রশাসন থেকে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আজ ৫ অক্টোবর সোমবার সকাল ১০ টার সময়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা রোগী ও রোগীর স্বজনদের সাথে প্রতারণাকারী দালাল চক্রের সদস্যদের ধরতে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।। মোবাইল কোর্টটি পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন বরিশাল এর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলী সুজা। পূর্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার ব্যাপারে সতর্ক করার পর ও এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখায় দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯১ ধারায় দালাল চক্রের ৭ সদস্য মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩০),মোঃ বাবুল (৪৫) মোঃ ছালাউদ্দিন হক (৪২) আসমা বেগম (৩২) মোছাঃ তানজিলা (২০) কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মোঃ জহিরুল হক খান (৩০) ও মোছাঃ সোনিয়াকে (৩২) কে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম সহায়তা প্রদান করেন। উল্লেখ্য মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা প্রতিনিয়তই দালালদের খপ্পরে পড়েন। সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী নিয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন ক্লিনিকে ভর্তি করা থেকে শুরু করে রোগীর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে প্রভাবিত করে এই দালালরা। তারা সরকারি হাসপাতালে এই চিকিৎসা নেই, অল্প খরচে ক্লিনিকে ভালো চিকিৎসা হবে, সরকারি হাসপাতালে রোগনির্ণয়ের ব্যবস্থা নেই, অল্প খরচে অন্য জায়গায় সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে উল্লেখ করে রোগীর স্বজনদের বিভ্রান্ত করে ফেলে। উদ্বিগ্ন স্বজনদের অনেকেই দালালদের কথায় বিশ্বাস করে সরকারি হাসপাতাল ত্যাগ করেন এবং দালালদের দেখানো জায়গায় চিকিৎসা নিয়ে প্রতারিত হয়।

তাই এই প্রতারক দালালদের প্রতিহত করতে জেলা প্রশাসন এর উদ্যোগে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।