রোজ রবিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:৫৫

শিরোনামঃ
বরিশালে ঘুরতে এসে বাসের চাপায় প্রাণ গেল তিন জনের দীর্ঘদিন বন্ধের পরে আজ খুলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক বরিশালে ৬ ফার্মেসিকে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা বিশেষ কায়দায় ফেনসিডিল বহন করেও শেষ রক্ষা হলো না তাদের, বিএমপি’র অভিযানে আটক ৪। দুইজন নারী ও ফেন্সিডিলসহ বরিশালে মাদক ব্যবসায়ী বুলেট গ্রেফতার কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার একজন বিএমপি’র অভিযানে ৪৫ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার ০২ বরিশালে লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা ও ৬ জনকে আটক। মীরগঞ্জ খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় যাত্রীকে মারধর- অভিযুক্ত গ্রেফতার নগদের ৮ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের রহস্য উদঘাটন, ডিএসও নুরুল্লাহ গ্রেফতার।
চরফ্যাশনে পঁচা বাসি খাবার মজুদের দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

চরফ্যাশনে পঁচা বাসি খাবার মজুদের দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

মুহিবুল্লাহ, চরফ্যাশন থেকে।।চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বাসি-পচা খাবার মজুদের কারণে করোনা মহামারি মধ্যে ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত দুলারহাটে আম্মাজান হোটেলকে ভোক্তা অধিকার আইনের ২৬৯ ধারা মতে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

বাইরে ফিটফাট, ক্রেতাদের বসার স্থানও পরিচ্ছন্ন। তবে অন্দরমহলের চেহারা ভিন্ন। রান্নাঘরে কটু গন্ধ, ফ্রিজে বাসি-পচা খাবার, মেঝেতে আবর্জনা। এমনিতে ভোক্তাদের আস্থায় থাকা আম্মাজান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট আজ সোমবার ১১’৩০ মিনিটের জরিমানার কবলে পড়েছে। ভেজালবিরোধী অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট হোটেলটির রান্নাঘরে ঢুকে দেখেন চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। তখন ২০,০০০হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি মালিক ও ম্যানেজারকে করা হয়েছে চূড়ান্ত সতর্ক।

ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত দুলারহাট বাজারের বিভিন্ন হোটেল ও মাছ বাজারে অভিযান চালায় বাজার এলাকায়। এসময় উপস্থিত ভ্রমমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন, ১১’৩০ মিনিটের সময় অভিযান শুরু হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিনের নেতৃত্বে টিম বিজিবি মোবাইল টিমের সহযোগিতায় আম্মাজান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়েছে।

দুলারহাট বাজার কাপুড়িয়া পট্টিতে অবস্থান এ রেস্তোরাঁ। অভিযানের সংবাদ পেয়ে ছুটে আসেন মালিক আবদুল জলিল মিয়া। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে নয় বুঝতে পেরে তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি তো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করি, স্টাফরা কিছুটা নোংরা করেছে। এখন শাস্তি তো পেতেই হবে।’

ম্যাজিস্ট্রেট এ সময় রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরে ঢুকে প্রস্তুত করা খাবারের পাশাপাশি বিভিন্ন মালপত্র পর্যবেক্ষণ করেন। দেখা যায়, রান্নাঘরের মেঝে নোংরা-আবর্জনাপূর্ণ। অপরিচ্ছন্ন জায়গাতেই রাখা হয়েছে বিভিন্ন প্রস্তুত করা নানা খাবার। সব কিছু মিলিয়ে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে এই জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।