“তীর্যক দৃষ্টি কখনো সুশাসনের জন্য নয়; বরং সহিষ্ণু দৃষ্টিই সুশাসনের নিয়ামক।”
শাসনের মূলভিত্তি শক্তি নয়, ন্যায়। তির্যক দৃষ্টি—অর্থাৎ সন্দেহ, প্রতিহিংসা ও কঠোর মানসিকতা—সমাজে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু স্থায়ী শৃঙ্খলা গড়ে তুলতে পারে না। এতে মানুষ বাধ্য হয়, কিন্তু অনুপ্রাণিত হয় না।
অন্যদিকে সহিষ্ণু দৃষ্টি মানে দুর্বলতা নয়; এটি হলো প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও মানবিকতার সমন্বয়। একজন শাসক বা নেতৃত্ব যদি মানুষের কথা শোনেন, ভিন্নমতকে সম্মান করেন এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন, তখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সহিষ্ণুতা সমাজে আস্থা তৈরি করে, আর আস্থাই উন্নয়নের প্রকৃত চালিকাশক্তি।
ইতিহাস সাক্ষী—যেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে, সেখানে অস্থিরতা জন্ম নিয়েছে; আর যেখানে সহনশীলতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে শান্তি ও সমৃদ্ধি স্থায়ী হয়েছে।
অতএব, তীর্যক নয়—সহিষ্ণু দৃষ্টিই সুশাসনের প্রকৃত ভিত্তি।
মোঃ সাইফুল ইসলাম 













