ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটিয়ায় যুবলীগ নেতাকে এলোপাতারি গুলি

  • বার্তা কক্ষ
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৯
  • ৩৮২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ায় উপজেলা যুবলীগের পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক লিটন (৩৫) সন্ত্রাসীদের এলোপাতারি গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার সন্ধ্যা সোয়া৭টায় উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের সীমান্তে মিলিটারিপুল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।।
তবে কারা ও কেনগুলি চালিয়েছে তা পুলিশ কিংবা স্থানীয় কেউ তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি। তবে পুলিশের ধারণা জুট বা স্ক্যাপ ব্যবসা নিয়ে অথবা আধিপত্য নিয়ে এই ঘটনা ঘটতে পারে।
জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক লিটন সন্ধ্যায় মিলিটারিপুল এলাকায় গেলে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে যুবলীগ নেতাকে এলোপাতারি গুলি চালায়। এসময় সে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা যুবকরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে যায়।
স্থানীয় নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন সীমান্তে বোয়ালখালী উপজেলার মিলিটারিপুল এলাকায় একটি বালু মহাল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এক গ্রুপ বোয়ালখালী ও এক গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করে পটিয়া এলাকা। কর্ণফুলী নদীর শাখা বোয়ালখালী খালে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে বালু এনে তা মিলিটারিপুল এলাকায় স্তুপ করে বিক্রি করেন তারা। বালু মহাল দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় বিরোধ চলছিল।
বুধবার সন্ধ্যায় মিলিটারিপুল এলাকায় পটিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা লিটন গেলে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এসময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয়। পটিয়া উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল ও সাধারণ সম্পাদক এমএ রহিম ধলঘাট ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠান শেষে যাওয়ার সময় উপজেলা যুবলীগ
নেতা লিটন গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তারা লিটনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল জানিয়েছেন, উপজেলা যুবলীগের পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক লিটনকে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে গুলি চালিয়েছে। তবে কী কারণে গুলি করেছে তা তারা জানেন না বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
তবে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ রহিম জানিয়েছেন, উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নে শোক দিবস উপলক্ষে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করেন। আলোচনা সভা শেষে যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মদ বেলালসহ ফিরছিলেন। তারা পাচুরিয়া এলাকায় এলে তাদের গাড়ি আটকানো হয়। পরে গুলিবিদ্ধ লিটনকে তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মিলিটারিপুল এলাকায় যুবলীগ নেতা লিটন, ছাত্রলীগ নেতা তানভীরসহ ৫/৬জন বালু মহালের ব্যবসা শুরু করেন। তবে কী কারণে ঘটনা ঘটেছে তা জানেন না।
পটিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, গুলিবৃদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চত করেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি নিজেই বিষয়টি দেখছেন। বতর্মানে পুলিশ ঘটনাস্থলেই অবস্থান করছে। বিস্তারিত জানার পর সন্তাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ!

পটিয়ায় যুবলীগ নেতাকে এলোপাতারি গুলি

আপডেট সময় : ০৭:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৯

অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ পটিয়ায় উপজেলা যুবলীগের পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক লিটন (৩৫) সন্ত্রাসীদের এলোপাতারি গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার সন্ধ্যা সোয়া৭টায় উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের সীমান্তে মিলিটারিপুল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।।
তবে কারা ও কেনগুলি চালিয়েছে তা পুলিশ কিংবা স্থানীয় কেউ তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি। তবে পুলিশের ধারণা জুট বা স্ক্যাপ ব্যবসা নিয়ে অথবা আধিপত্য নিয়ে এই ঘটনা ঘটতে পারে।
জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক লিটন সন্ধ্যায় মিলিটারিপুল এলাকায় গেলে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে যুবলীগ নেতাকে এলোপাতারি গুলি চালায়। এসময় সে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা যুবকরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে যায়।
স্থানীয় নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন সীমান্তে বোয়ালখালী উপজেলার মিলিটারিপুল এলাকায় একটি বালু মহাল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এক গ্রুপ বোয়ালখালী ও এক গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করে পটিয়া এলাকা। কর্ণফুলী নদীর শাখা বোয়ালখালী খালে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে বালু এনে তা মিলিটারিপুল এলাকায় স্তুপ করে বিক্রি করেন তারা। বালু মহাল দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় বিরোধ চলছিল।
বুধবার সন্ধ্যায় মিলিটারিপুল এলাকায় পটিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা লিটন গেলে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এসময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ হয়। পটিয়া উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল ও সাধারণ সম্পাদক এমএ রহিম ধলঘাট ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠান শেষে যাওয়ার সময় উপজেলা যুবলীগ
নেতা লিটন গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তারা লিটনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
পটিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল জানিয়েছেন, উপজেলা যুবলীগের পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক লিটনকে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে গুলি চালিয়েছে। তবে কী কারণে গুলি করেছে তা তারা জানেন না বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
তবে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ রহিম জানিয়েছেন, উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নে শোক দিবস উপলক্ষে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করেন। আলোচনা সভা শেষে যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মদ বেলালসহ ফিরছিলেন। তারা পাচুরিয়া এলাকায় এলে তাদের গাড়ি আটকানো হয়। পরে গুলিবিদ্ধ লিটনকে তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মিলিটারিপুল এলাকায় যুবলীগ নেতা লিটন, ছাত্রলীগ নেতা তানভীরসহ ৫/৬জন বালু মহালের ব্যবসা শুরু করেন। তবে কী কারণে ঘটনা ঘটেছে তা জানেন না।
পটিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, গুলিবৃদ্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চত করেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি নিজেই বিষয়টি দেখছেন। বতর্মানে পুলিশ ঘটনাস্থলেই অবস্থান করছে। বিস্তারিত জানার পর সন্তাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।