ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেছারাবাদে ঋন গ্রহীতাকে বেদম মারপিট করে সেবকের কর্মিরা

  • বার্তা কক্ষ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯
  • ৪১১ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ডেস্কঃ নেছারাবাদে সময়মত এনজিওর টাকা পরিষদের কিস্তি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় শিবু শীল(৪২) নামে এক ঋনগ্রহীতাকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে মুখ চেপে বেধম মারপিট করেছে ‘সেবক হেলথ এন্ড এডুকেশন সোসাইটি’ কর্মীরা। ওই ঋন গ্রহীতা শিবু শীল উপজেলার জলাবাড়ী গ্রামের হারাদন শীলের ছেলে। সোমবার দুপুরে উপজেলা রোডে অবস্থিত ওই এনজিও অফিসে শিবু শীলকে ধরে এনে ফ্লোরে ফেলে ম্যানেজার আলী আকবার, সজল, রাসেল আকন সহ চার পাঁচজনে অমানবিকভাবে মারধর করে। তাদের মারের আঘাতে শিবু শীলের নাক ফেটে রক্তঝড়া সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে  আঘাত প্রাপ্ত হয়। মারের একপর্যায়ে সংস্থাটির কর্মী সজল ও ম্যানেজার আলী  আকবরের অব্যাহত গুরুতর আঘাতে শিবু শীল ওই অফিসের ভিতরে বসে পায়খানা প্রসাব করে দেয়। এসময় শিবুর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। এ রিপোর্ট লেখা আগ পর্যন্ত শিবু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎধীন রয়েছে।
মার খাওয়া ওই অসহায় ঋনগ্রহীতা শিবু শীল অভিযোগ করেন, তিনি কয়েক মাস আগে উপজেলা রোডে অবস্থিত সেবক হেলথ এন্ড এডুকেশন সোসাইটি নামক একটি এনজিও থেকে ২৫হাজার টাকা ঋন নেন। তাদের চড়া সুধের দেওয়া ওই ঋনের নিয়মিত কিস্তি দিয়ে যাচ্ছিলেন। হটাৎ পারিবারিক আর্থিক অনটনে পড়ে তিনি সময়মত কিস্তি দিতে পারছিলেননা। এতে ওই এনজিও কর্মীরা সোমবার তাকে রাস্তা থেকে ধরে এনে অফিসের মধ্য বসে  ম্যানেজার আলী আকবার, সজল, রাসেল আকন সহ চার পাঁচজনে তাকে এলোপাথাড়িভাবে কিল ঘুষি মারতে থাকে। তাদের মারের আঘাতে তিনি অফিসের ফ্লোরে লুটিয়ে পড়লে ম্যানেজার আলী আকবার ও সজল জুতো পরিহিত অবস্থায় পা দিয়ে গলা ও মুখমন্ডলে চেপে ধরে। এসময় অফিসের বাকিরা তাকে লাথি মারতে থাকে। এতে তার নাক ফেটে রক্ত ঝড়া সহ শরীরে মুখ মন্ডলে  জখম হয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই অফিসে গিয়ে কাউকে না পেয়ে এনজিওটির নির্বাহী পরিচালক কৃষ্ণ দাসের ফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করে বলেন, ঋন গ্রহীতা শিবুর কাছে তাদের টাকা পাওনা রয়েছে। টাকা আদায়ের জন্য কাউকে মারধরের নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে কৃষ্ণ দাস বলেন, আমি দূরে আছি। অফিসে এসে বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেব।
ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ!

নেছারাবাদে ঋন গ্রহীতাকে বেদম মারপিট করে সেবকের কর্মিরা

আপডেট সময় : ০৯:২৬:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯
নিউজ ডেস্কঃ নেছারাবাদে সময়মত এনজিওর টাকা পরিষদের কিস্তি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় শিবু শীল(৪২) নামে এক ঋনগ্রহীতাকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে মুখ চেপে বেধম মারপিট করেছে ‘সেবক হেলথ এন্ড এডুকেশন সোসাইটি’ কর্মীরা। ওই ঋন গ্রহীতা শিবু শীল উপজেলার জলাবাড়ী গ্রামের হারাদন শীলের ছেলে। সোমবার দুপুরে উপজেলা রোডে অবস্থিত ওই এনজিও অফিসে শিবু শীলকে ধরে এনে ফ্লোরে ফেলে ম্যানেজার আলী আকবার, সজল, রাসেল আকন সহ চার পাঁচজনে অমানবিকভাবে মারধর করে। তাদের মারের আঘাতে শিবু শীলের নাক ফেটে রক্তঝড়া সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে  আঘাত প্রাপ্ত হয়। মারের একপর্যায়ে সংস্থাটির কর্মী সজল ও ম্যানেজার আলী  আকবরের অব্যাহত গুরুতর আঘাতে শিবু শীল ওই অফিসের ভিতরে বসে পায়খানা প্রসাব করে দেয়। এসময় শিবুর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। এ রিপোর্ট লেখা আগ পর্যন্ত শিবু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎধীন রয়েছে।
মার খাওয়া ওই অসহায় ঋনগ্রহীতা শিবু শীল অভিযোগ করেন, তিনি কয়েক মাস আগে উপজেলা রোডে অবস্থিত সেবক হেলথ এন্ড এডুকেশন সোসাইটি নামক একটি এনজিও থেকে ২৫হাজার টাকা ঋন নেন। তাদের চড়া সুধের দেওয়া ওই ঋনের নিয়মিত কিস্তি দিয়ে যাচ্ছিলেন। হটাৎ পারিবারিক আর্থিক অনটনে পড়ে তিনি সময়মত কিস্তি দিতে পারছিলেননা। এতে ওই এনজিও কর্মীরা সোমবার তাকে রাস্তা থেকে ধরে এনে অফিসের মধ্য বসে  ম্যানেজার আলী আকবার, সজল, রাসেল আকন সহ চার পাঁচজনে তাকে এলোপাথাড়িভাবে কিল ঘুষি মারতে থাকে। তাদের মারের আঘাতে তিনি অফিসের ফ্লোরে লুটিয়ে পড়লে ম্যানেজার আলী আকবার ও সজল জুতো পরিহিত অবস্থায় পা দিয়ে গলা ও মুখমন্ডলে চেপে ধরে। এসময় অফিসের বাকিরা তাকে লাথি মারতে থাকে। এতে তার নাক ফেটে রক্ত ঝড়া সহ শরীরে মুখ মন্ডলে  জখম হয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই অফিসে গিয়ে কাউকে না পেয়ে এনজিওটির নির্বাহী পরিচালক কৃষ্ণ দাসের ফোনে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ করে বলেন, ঋন গ্রহীতা শিবুর কাছে তাদের টাকা পাওনা রয়েছে। টাকা আদায়ের জন্য কাউকে মারধরের নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে কৃষ্ণ দাস বলেন, আমি দূরে আছি। অফিসে এসে বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেব।