ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্ত বিহঙ্গ খেলাঘর আসরের ৪৫তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

  • বার্তা কক্ষ
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২০
  • ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুক্ত বিহঙ্গ খেলাঘর আসর, বরিশাল -এর ৪৫তম বার্ষিক সম্মেলন ২০২০ মথুরানাথ পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোঃ হানিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিসিসি’র ১নং প্যানেল মেয়র জনাব গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, খেলাঘর জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী জীবন কৃষ্ণ দে, বরিশাল জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রী পঙ্কজ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব জিয়া কিসলু।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি প্রফেসর মোঃ হানিফ। উদ্বোধন শেষে খেলাঘরের ভাইবোনেরা কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রর্দশন করে।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে গাজী নঈমুল হোসেন লিটু খেলাঘরের দীর্ঘ ৪৫ বছরের পথ পরিক্রমার সার্বিক চিত্র সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরেন। তিনি খেলাঘরের যে সকল কর্মীবৃন্দ প্রয়াত হয়েছেন তাঁদের অবদান বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বলেন, খেলাঘর একটি শিশুর মনস্ত্বাত্তিক, শারীরিক, সাংস্কৃতিক মেধা বিকাশে ও চরিত্র গঠনে অন্যতম সহায়ক। তিনি অভিভাবকবৃন্দকে শিশুদের সপ্তাহে অন্তত একটি দিন লেখাপড়ার চাপমুক্ত রেখে খেলাঘরের সাথে সম্পৃক্ত করতে আহবান জানান। বিশেষ অতিথি পঙ্কজ রায় চৌধুরী ও জীবন কৃষ্ণ দে শিশুদের মেধা বিকাশে খেলাঘরের গুরুত্ব তুলে ধরে খেলাঘর আন্দোলনকে জাগিয়ে রেখে শিশুদের এর সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মোঃ হানিফ বলেন, এক একটি শিশু এক একটি সম্পদ। প্রতিটি শিশুর মধ্যে রয়েছে অনেক সুপ্ত প্রতিভা। শিশুর এই সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে সম্পদে রূপদান করতে হবে। আর এই সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে খেলাঘরের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, দেশের বড় বড় গুরুত্বপূর্ণ পদে যাঁরা আসীন রয়েছেন তাঁদের অনেকেই খেলাঘর আন্দোলনের মাঝ থেকেই উঠে এসেছেন। শুধু পুঁথিগত বিদ্যাই একটি শিশুকে পূর্ণতা দিতে পারে না। তাই শিশুদের সাংস্কৃতিকমনা করে গড়ে তুলতে হবে, এ বিষয়ে তিনি খেলাঘর আন্দোলনের উপর গুরুত্ব আারোপ করেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শাখা আসর থেকে আগত সদস্যবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আলীপুর ও মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ!

মুক্ত বিহঙ্গ খেলাঘর আসরের ৪৫তম বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১০:৫০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধি: মুক্ত বিহঙ্গ খেলাঘর আসর, বরিশাল -এর ৪৫তম বার্ষিক সম্মেলন ২০২০ মথুরানাথ পাবলিক স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোঃ হানিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিসিসি’র ১নং প্যানেল মেয়র জনাব গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, খেলাঘর জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী জীবন কৃষ্ণ দে, বরিশাল জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রী পঙ্কজ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব জিয়া কিসলু।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি প্রফেসর মোঃ হানিফ। উদ্বোধন শেষে খেলাঘরের ভাইবোনেরা কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রর্দশন করে।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে গাজী নঈমুল হোসেন লিটু খেলাঘরের দীর্ঘ ৪৫ বছরের পথ পরিক্রমার সার্বিক চিত্র সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরেন। তিনি খেলাঘরের যে সকল কর্মীবৃন্দ প্রয়াত হয়েছেন তাঁদের অবদান বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বলেন, খেলাঘর একটি শিশুর মনস্ত্বাত্তিক, শারীরিক, সাংস্কৃতিক মেধা বিকাশে ও চরিত্র গঠনে অন্যতম সহায়ক। তিনি অভিভাবকবৃন্দকে শিশুদের সপ্তাহে অন্তত একটি দিন লেখাপড়ার চাপমুক্ত রেখে খেলাঘরের সাথে সম্পৃক্ত করতে আহবান জানান। বিশেষ অতিথি পঙ্কজ রায় চৌধুরী ও জীবন কৃষ্ণ দে শিশুদের মেধা বিকাশে খেলাঘরের গুরুত্ব তুলে ধরে খেলাঘর আন্দোলনকে জাগিয়ে রেখে শিশুদের এর সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মোঃ হানিফ বলেন, এক একটি শিশু এক একটি সম্পদ। প্রতিটি শিশুর মধ্যে রয়েছে অনেক সুপ্ত প্রতিভা। শিশুর এই সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে সম্পদে রূপদান করতে হবে। আর এই সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে খেলাঘরের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, দেশের বড় বড় গুরুত্বপূর্ণ পদে যাঁরা আসীন রয়েছেন তাঁদের অনেকেই খেলাঘর আন্দোলনের মাঝ থেকেই উঠে এসেছেন। শুধু পুঁথিগত বিদ্যাই একটি শিশুকে পূর্ণতা দিতে পারে না। তাই শিশুদের সাংস্কৃতিকমনা করে গড়ে তুলতে হবে, এ বিষয়ে তিনি খেলাঘর আন্দোলনের উপর গুরুত্ব আারোপ করেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শাখা আসর থেকে আগত সদস্যবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।