ঢাকা 5:40 pm, Tuesday, 3 March 2026

টাকার বিনিময়ে করোনা সনদ সরবরাহকারী চারজনের রিমান্ড মঞ্জুর

নিউজ ডেস্ক//টাকার বিনিময়ে করোনার নেগেটিভ বা পজিটিভ রিপোর্ট বা সনদ সরবরাহকারী চক্রের চার সদস্যের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তারা হলেন- ফজল হক (৪০), মো. শরিফ হোসেন (৩২), মো. জামশেদ (৩০) ও মো. লিয়াকত আলী (৪৩)।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মুগদা থানায় তাদের বিরুদ্ধে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওই থানার উপ-পরিদর্শক ফয়সাল মুন্সী। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মুগদা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ইউসুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে এমন বিপুল পরিমাণ ভুয়া সনদপত্রসহ জালিয়াত চক্রের চারজনকে গ্রেফতারের করে র‌্যাব। এসময় তাদের কাছ থেকে প্রায় শ’খানেক করোনার ভুয়া সনদপত্র, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার এবং দুটি স্ক্যানার উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মুগদা থানায় প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা: Ali Khamenei-এর রাজনৈতিক পথচলা

টাকার বিনিময়ে করোনা সনদ সরবরাহকারী চারজনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় : 04:36:45 pm, Tuesday, 16 June 2020

নিউজ ডেস্ক//টাকার বিনিময়ে করোনার নেগেটিভ বা পজিটিভ রিপোর্ট বা সনদ সরবরাহকারী চক্রের চার সদস্যের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তারা হলেন- ফজল হক (৪০), মো. শরিফ হোসেন (৩২), মো. জামশেদ (৩০) ও মো. লিয়াকত আলী (৪৩)।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মুগদা থানায় তাদের বিরুদ্ধে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওই থানার উপ-পরিদর্শক ফয়সাল মুন্সী। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মুগদা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ইউসুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে এমন বিপুল পরিমাণ ভুয়া সনদপত্রসহ জালিয়াত চক্রের চারজনকে গ্রেফতারের করে র‌্যাব। এসময় তাদের কাছ থেকে প্রায় শ’খানেক করোনার ভুয়া সনদপত্র, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার এবং দুটি স্ক্যানার উদ্ধার করা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মুগদা থানায় প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়