রোজ বুধবার, ২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৩৭

শিরোনামঃ
নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী, অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে-পুলিশ কমিশনার বিএমপি। মানুষকে সেবা প্রদান করে যে ভালোবাসা পাওয়া যায়, তার চাইতে বড় আত্মতৃপ্তি আর কিছুই নেই__পুলিশ কমিশনার বিএমপি। বরিশালে ৪৬ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০২ জন বাকেরগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগে চার শিশুকে, কারাগারে পাঠানোর দায়ে, ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহারের নির্দেশ ১২০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার ০২ নাগরিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সমস্যা নিরসনে বিএমপি সদা জাগ্রত- বিএমপি কমিশনার। বরিশালে ০৩ কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার ০১ পটুয়াখালীতে প্রেমিক যুগলের একই দড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা বিএমপি’র অভিযানে ২০৫ পিস ইয়াবা ও ৫৮ গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার ০২ পটুয়াখালীতে মোটরসাইকেল-মাহিন্দ্রার সংঘর্ষে স্বর্না (১০) নামের এক শিশুর মৃত্যু
অসাধারন স্থাপত্যশৈলীর বাড়ীটি অযত্ন-অবহেলা আর ঘন জঙ্গল পরিবেষ্টিত হয়ে পরিত্যক্ত

অসাধারন স্থাপত্যশৈলীর বাড়ীটি অযত্ন-অবহেলা আর ঘন জঙ্গল পরিবেষ্টিত হয়ে পরিত্যক্ত

কাজি সাইফুল ইসলামঃ তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম স্পিকার বরিশালের কৃতী সন্তান মরহুম আব্দুল ওহাব খানের পূর্ব রহমতপুর, বরিশাল এর বাসভবন পরিত্যক্ত।

অসাধারন স্থাপত্যশৈলীর একটি পরিত্যক্ত বাড়ী। অযত্ন-অবহেলায় ঘন জঙ্গল পরিবেষ্টিত বাড়িটি। সংস্কার করা গেলে শহরের খুব কাছে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এটি হতে পারে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট।

একনজরে জনাব আবদুল ওহাব খানের পরিচিতিঃ

আবদুল ওহাব খান অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন।

নামঃ আবদুল ওহাব খান
জন্মঃ ১৮৯৮
মৃত্যুঃ ১৯৭২
জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী
জাতিসত্তাঃ বাঙালি
নাগরিকত্বঃ বাংলাদেশ
যে জন্য পরিচিতঃ অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রথম স্পিকার
ধর্মঃ ইসলাম।

জন্ম ও শিক্ষাজীবনঃ আবদুল ওহাব খান বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুরে ১৮৯৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯১৮ সালে বি.এ. এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২১ খ্রি. বি.এল. পাশ করেন তিনি।

কর্মজীবনঃ
রাজনৈতিক জীবন-
আবদুল ওহাব ছিলেন কৃষক প্রজা পার্টির অন্যতম নেতা। পাশাপাশি তিনি বরিশাল আদালতে প্রায় ২০ বছর সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর পদে নিযুক্ত ছিলেন। ১৯২২ সালে বরিশাল সদর লোকাল বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান (১৯২৭-১৯৩৩) এবং পরে উক্ত সংস্থার চেয়ারম্যান পদে উন্নীত হন (১৯৪০-১৯৫২) তিনি। পরপর তিনবার বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটির কমিশনার নির্বাচিত হন আবদুল ওহাব খান। তিনি যথাক্রমে কৃষক প্রজা পার্টির মনোনয়নে বঙ্গীয় আইন সভার সদস্য (১৯৩৭), বরিশাল জেলা স্কুল বোর্ডের ভাইস-প্রেসিডেন্ট (১৯৪২) ও জেলা স্কুল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট (১৯৫০) নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে কৃষক-শ্রমিক পার্টি গঠনে তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মনোনয়নে পূর্ববঙ্গ আইনসভার সদস্য ও ১৯৫৫ সালে কৃষক-শ্রমিক মনোনয়নে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ও স্পিকার পদে যোগ দেন। তাঁর সভাপতিত্বে গণপরিষদে ১৯৫৬ খ্রি. শাসনতন্ত্র গৃহীত হয়। নয়া শাসনতন্ত্র মোতাবেক গণপরিষদ জাতীয় পরিষদে রূপান্তরিত হলে স্পিকার পদে পুনর্বহাল হন। ১৯৫৮ খ্রি. সামরিক সরকার জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিলে তিনিও স্পিকার পদ হারান। শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হকের রাজনীতির তিনি একজন অণুসারী ছিলেন।