রোজ সোমবার, ৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:২৪

শিরোনামঃ
১৩ (তের) পুরিয়া গাঁজা সহ গ্রেফতার ০১ ৭২ (বাহাত্তর) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার ০১ এইচ টি ইমাম আর নেই বরিশালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালিত চরফ্যাসন পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন সিদ্দিকুর রহমান মোক্তাদী ২য় বারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন মিজানুর রহমান মঞ্জু চরফ্যাসন পৌরসভার মেয়র হলেন নৌকার কান্ডারী এসএম মোরশেদ “মামলা তদন্তে অদক্ষতা, অলসতা, অমনোযোগীতা গাফিলতি, পক্ষপাতিত্ব বা অপেশাদারীত্বের অভিযোগ পেলে, কঠোর বিভাগীয় ব্যাবস্থা। ” মাসিক কল্যাণ সভায় বিএমপি কমিশনার। বাবুগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত কাশিপুর ইউনিয়নে স্মার্ট কার্ড বিতরন করা হবে আগামী ৬ ই মার্চ
অসাধারন স্থাপত্যশৈলীর বাড়ীটি অযত্ন-অবহেলা আর ঘন জঙ্গল পরিবেষ্টিত হয়ে পরিত্যক্ত

অসাধারন স্থাপত্যশৈলীর বাড়ীটি অযত্ন-অবহেলা আর ঘন জঙ্গল পরিবেষ্টিত হয়ে পরিত্যক্ত

কাজি সাইফুল ইসলামঃ তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম স্পিকার বরিশালের কৃতী সন্তান মরহুম আব্দুল ওহাব খানের পূর্ব রহমতপুর, বরিশাল এর বাসভবন পরিত্যক্ত।

অসাধারন স্থাপত্যশৈলীর একটি পরিত্যক্ত বাড়ী। অযত্ন-অবহেলায় ঘন জঙ্গল পরিবেষ্টিত বাড়িটি। সংস্কার করা গেলে শহরের খুব কাছে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এটি হতে পারে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট।

একনজরে জনাব আবদুল ওহাব খানের পরিচিতিঃ

আবদুল ওহাব খান অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন।

নামঃ আবদুল ওহাব খান
জন্মঃ ১৮৯৮
মৃত্যুঃ ১৯৭২
জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী
জাতিসত্তাঃ বাঙালি
নাগরিকত্বঃ বাংলাদেশ
যে জন্য পরিচিতঃ অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রথম স্পিকার
ধর্মঃ ইসলাম।

জন্ম ও শিক্ষাজীবনঃ আবদুল ওহাব খান বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুরে ১৮৯৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯১৮ সালে বি.এ. এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২১ খ্রি. বি.এল. পাশ করেন তিনি।

কর্মজীবনঃ
রাজনৈতিক জীবন-
আবদুল ওহাব ছিলেন কৃষক প্রজা পার্টির অন্যতম নেতা। পাশাপাশি তিনি বরিশাল আদালতে প্রায় ২০ বছর সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর পদে নিযুক্ত ছিলেন। ১৯২২ সালে বরিশাল সদর লোকাল বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান (১৯২৭-১৯৩৩) এবং পরে উক্ত সংস্থার চেয়ারম্যান পদে উন্নীত হন (১৯৪০-১৯৫২) তিনি। পরপর তিনবার বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটির কমিশনার নির্বাচিত হন আবদুল ওহাব খান। তিনি যথাক্রমে কৃষক প্রজা পার্টির মনোনয়নে বঙ্গীয় আইন সভার সদস্য (১৯৩৭), বরিশাল জেলা স্কুল বোর্ডের ভাইস-প্রেসিডেন্ট (১৯৪২) ও জেলা স্কুল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট (১৯৫০) নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে কৃষক-শ্রমিক পার্টি গঠনে তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মনোনয়নে পূর্ববঙ্গ আইনসভার সদস্য ও ১৯৫৫ সালে কৃষক-শ্রমিক মনোনয়নে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ও স্পিকার পদে যোগ দেন। তাঁর সভাপতিত্বে গণপরিষদে ১৯৫৬ খ্রি. শাসনতন্ত্র গৃহীত হয়। নয়া শাসনতন্ত্র মোতাবেক গণপরিষদ জাতীয় পরিষদে রূপান্তরিত হলে স্পিকার পদে পুনর্বহাল হন। ১৯৫৮ খ্রি. সামরিক সরকার জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিলে তিনিও স্পিকার পদ হারান। শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হকের রাজনীতির তিনি একজন অণুসারী ছিলেন।