রোজ মঙ্গলবার, ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৭:২৩

শিরোনামঃ
মানুষকে সেবা প্রদান করে যে ভালোবাসা পাওয়া যায়, তার চাইতে বড় আত্মতৃপ্তি আর কিছুই নেই__পুলিশ কমিশনার বিএমপি। বরিশালে ৪৬ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০২ জন বাকেরগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগে চার শিশুকে, কারাগারে পাঠানোর দায়ে, ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহারের নির্দেশ ১২০ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার ০২ নাগরিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সমস্যা নিরসনে বিএমপি সদা জাগ্রত- বিএমপি কমিশনার। বরিশালে ০৩ কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার ০১ পটুয়াখালীতে প্রেমিক যুগলের একই দড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা বিএমপি’র অভিযানে ২০৫ পিস ইয়াবা ও ৫৮ গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার ০২ পটুয়াখালীতে মোটরসাইকেল-মাহিন্দ্রার সংঘর্ষে স্বর্না (১০) নামের এক শিশুর মৃত্যু বাটাজোরে ধান ক্ষেতে এক নারীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার।
১০ হাজার ইয়াবাসহ এসআই গ্রেপ্তার

১০ হাজার ইয়াবাসহ এসআই গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রামে ১০ হাজার ইয়াবা বড়িসহ পুলিশের একজন উপপরিদর্শককে (এসআই) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর নাম ছিদ্দিকুর রহমান। তিনি চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বন্দর জোনে কর্মরত ছিলেন।

র‍্যাব ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের যৌথ অভিযানের সময় আজ শুক্রবার রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার সিজিএস কলোনি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিট চট্টগ্রামের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সিজিএস কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিদ্দিকুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া নগদ ৮০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। আর কেউ জড়িত আছেন কিনা তদন্ত অব্যাহত আছে। এই ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) হামিদুল আলম রাতে বলেন, ছিদ্দিকুর শিকলবাহা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সেখানে থেকে ১৫ দিন আগে তাঁকে সরিয়ে আনা হয়। এরপর বন্দর ট্রাফিক বিভাগে বদলি করা হয়। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ৩১ আগস্ট নগরের কোতওয়ালর থানার লালদীঘির পাড় পুরোনো গির্জা লেনের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিচ ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন জহিরুল ইসলাম, পলাশ ভট্টাচার্য ও আনোয়ার হোসেন। তাঁদের মধ্যে জহিরুল পুলিশ কনস্টেবল। তিনি চট্টগ্রাম আদালতের পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন (জিআরও) শাখায় কর্মরত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তিনি কোতওয়ালী থানার পুলিশকে জানান, বিক্রির জন্য ইয়াবাগুলো তার কাছে রেখেছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল ওয়াদুদ।

উদ্ধার করা ইয়াবা জব্দতালিকায় কম দেখিয়ে তিনি নিজের কাছে রাখেন। পরে বিক্রির জন্য দিয়েছেন। পলাশ ও আনোয়ার এগুলো কেনার জন্য এসেছিলেন। তার আগেই পুলিশ তাঁদের ধরে ফেলে।