রোজ শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৫৮

শিরোনামঃ
নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কল্যাণ ব্রত দাস নির্ভেজাল ও কাঙ্ক্ষিত সেবা দানের মাধ্যমে জনগণের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়াই বিট পুলিশিং – বিএমপি কমিশনার। বাবুগঞ্জ উপজেলায় বাজার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয় সরকারি বরিশাল কলেজের নবাগত শিক্ষার্থীদের সেবায় রেডক্রিসেন্টের বরিশাল কলেজ শাখা সদা তৎপর তিন দিনেই প্রায় ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে পেঁয়াজ সিন্ডিকেট বরিশালে করোনা দুর্গত পরিবারের সহায়তাকল্পে বিএমপি কর্তৃক গঠিত তহবিলের অর্থ বিএমপি কমিশনারের হাতে প্রদান বরিশালে ৮১ টি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাঝে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত জিস্কা ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ এর বরিশাল আরএসএম কল্যাণ ব্রত দাস এর পিতৃবিয়োগ- বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ বরিশাল জেলায় ১ লক্ষ তালবীজ বপন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন বরিশালে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৮ জন রোগীর দালাল আটক
গুলশানের ফাঁকা ফ্ল্যাটে ৩ দিন থেকে-খেয়ে গ্রেফতার চোর

গুলশানের ফাঁকা ফ্ল্যাটে ৩ দিন থেকে-খেয়ে গ্রেফতার চোর

ধানসিঁড়ি নিউজ।।ঘটনাস্থল গুলশানের ফ্ল্যাটটির মালিক নর্থ অ্যান্ড কফির ব্যবস্থাপনা পরিচালক যুক্তরাষ্ট্রের রিচার্ড হাবার্ড। দীর্ঘদিন ধরে ক্যাফে বন্ধ থাকায় তিনি যুক্তরাষ্টে যান। ফ্ল্যাটটি খালি থাকলেও এর ভেতরে ছিল সিসিটিভি ক্যামেরা।

‘গুলশানের ঘরটি নিরাপদে আছে কি না’ নিজের মোবাইল ফোন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘরে বসেই নিয়মিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখতেন রিচার্ড। তবে শনিবারের ফুটেজে হঠাৎ দেখতে পেলেন কেউ তার ঘরে হাঁটাহাঁটি করছে। ফ্রিজ থেকে খাবার ও ওয়াইন নিয়ে টেবিলে রেখে এক যুবকের নাচের দৃশ্য দেখে অবাক তিনি। সঙ্গে সঙ্গে জানালেন তার বাংলাদেশের সহকর্মীকে।

সহকর্মী খবর দিলেন পুলিশে। শনিবার রাতে গুলশান এভিনিউয়ের ৮৯ নম্বর সড়কের ভবনে ঢোকে পুলিশ। সংযুক্ত ড্রয়িং ও ডাইনিং টেবিলে অবস্থান নেয় তারা। কাউকে দেখতে না পেলেও টেবিলের ওপর কিছু রান্না করা খাবারভর্তি কড়াই, জুসের প্যাকেট ও ওয়াইনের বোতল দেখতে পান তারা।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লুকিয়ে ছিল সে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই একটি বেডরুমের টয়লেট থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। তার নাম মাসুম। সে মাদকাসক্ত এবং পেশায় চোর। শনিবার রাতেই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতারের পর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করা হয় মাসুমকে। পুলিশ সূত্র জানায়, চুরির জন্য এসে বাড়িতে ঢুকে প্রচুর খাবার দেখে সে। চুরির কথা ভুলে তিনদিন থাকে। ঘরের খাবারগুলো খেয়ে এই খালি ফ্ল্যাটে আরও কয়েকদিন থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাসুমকে ধরার অভিযানে উপস্থিত থাকা গুলশান থানার ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মাসুমের বিরুদ্ধে ঢাকার একাধিক থানায় মামলা রয়েছে। চুরির জন্য গ্রেফতার হয়েছিল একবার। আচার-আচরণ দেখে ধারণা করা হচ্ছে তার মানসিক সমস্যা থাকতে পারে। সে ফুটপাথে থাকে, ফ্ল্যাট খালি পেয়ে এখানে থেকে গিয়েছিল। সিসিটিভি ক্যামেরায় আমরা ফ্ল্যাটটিতে তার খাওয়ার দৃশ্য দেখতে পাই।

সোমবার সকালে গুলশান থানা পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটের মালিক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এ ঘটনায় কোনো মামলা বা জিডি করতে রাজি হননি। তাই গত মার্চ মাসে গুলশান থানায় দায়ের করা একটি চুরির মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।