রোজ মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:০৮

শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বিএমপি’র সৌজন্যে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ৭৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন বরিশালের উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার অস্ত্র মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদের যাবজ্জীবন সুপ্রিম কোর্টে মাহবুবে আলমের জানাজা সম্পন্ন এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আসামি রাজন গ্রেফতার লালমোহনে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুভ জন্মদিন বরিশাল জেলার ঐতিহ্যবাহী দুর্গা সাগর দীঘি ও ডিসি লেকে দেশীয় প্রজাতির মৎস্য অবমুক্ত করা হয়
আজ জাতীয় কবির ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ জাতীয় কবির ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

নিউজ ডেস্কঃ আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে শেখ মুজিব হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে।

কবি ৭৬ বছর জীবিত থাকলেও মাত্র ২৩ বছর সাহিত্যকর্ম করতে পেরেছেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই তার অনন্য সৃষ্টিতে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা সাহিত্য। সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে কাজী নজরুল ইসলাম তার প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেননি।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মা জাহেদা খাতুন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে তার বসবাসের ব্যবস্থা করেন এবং ধানমণ্ডিতে কবিকে একটি বাড়ি উপহার দেন ।

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিণী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীতজগৎকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।

তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে সব রকম অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার আর জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস।
নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করে। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ লেখক। তার লেখনী জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তার কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।