রোজ বৃহস্পতিবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:০৫

নারায়নগঞ্জের সেজান জুস কারখানার অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ রয়েছে চরফ্যাশনের ৩ জন

নারায়নগঞ্জের সেজান জুস কারখানার অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ রয়েছে চরফ্যাশনের ৩ জন

মহিব্বুল্লাহ ,চরফ্যাশন প্রতিনিধি।। নারায়নগঞ্জের রুপগঞ্জে সেজান জুস ফ্যাক্টরী দুর্ঘটনায় নিঁখোজ রয়েছেন ভোলার চরফ্যামনের ৩ জন শ্রমিক। যাদের গত ৩ দিনেও সন্ধান মেলেনি। তবে এ তিনজনই ঘটনার দিন কারখানার চতুর্থতলায় কাজ করছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে তাদের পরিবার। ওই দুর্ঘটনার পর থেকে তাদের পাওয়া যাচ্ছেনা। সেদিন তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তাও জানেনা নিখোঁজদের পরিবার। তারা বেঁচে আছেন কিনা তাও জানা নেই উপজেলা প্রশাসনের। তবে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টির সার্বিক খোজ-খবর নিচ্ছে।

চরফ্যাশনে নিঁখোজ ৩ শ্রমিক হলেন, চরফ্যাশন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের আমিনাবাদ গ্রামের ফজুলের ছেলে হাসনাইন (১২) এবং একই বাড়ির কবিরের ছেলে রাকিব (২৮) এবং এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের আ: মান্নানের ছেলে নোমান। এরমধ্যে হাসনাইন এবং রাকিব সেমাই প্যাকেটজাত করনের কাজ করতো। নিখোঁজ ৩ জনের মধ্যে দুই জন নিহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।

আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আল এমরান প্রিন্স জানান, রাকিব ও হাসনাইন নিহত হয়েছে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা তখন (দুর্ঘটনার দিন) কারখানার চতুর্থতলায় কাজ করছিলেন। এদিকে নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারে চলছে কান্না-আহাজারি। ছেলের কথা বার বার মনে করে কান্না ভেঙ্গে পরছেন স্বজনরা। দুর্ঘটনার পর থেকে ওই সব পরিবারে যেন চলছে শোকের মাতম। কেউ সন্তান, কেউ বাবা হারিয়েছেন। কারখানায় কাজ করতে গিয়ে নিখোজ শ্রমিকদের দরিদ্র পরিবারগুলো যেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

নিখোঁজ হাসনাইনের বাবা ফজলু মুঠোফোনে জানান, তার ছেলে (হাসনাইন) ফ্যাক্টরিতে কাজ করতো। কারিগর রাকিবের সহকারি হিসাবে ওই ফ্যাক্টরীর চতুর্থ তলায় কাজ করতো। দুর্ঘটনার দিনও তারা কারখানায় অবস্থান করেছিলো।

জানতে চাইলে চরফ্যাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ৩ জনের নাম-ঠিকানা পেয়েছি, তারা সবাই চরফ্যাসন উপজেলার বাসিন্দা এবং দুর্ঘটনা কবলিত কারখানার শ্রমিক ছিলেন। তবে তাদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। আমার ঢাকায় সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছি।