রোজ বৃহস্পতিবার, ১৯শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৪১


শিরোনামঃ
বিঘাই ও পায়রা নদীর ভাঙ্গন হতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস এলাকা রক্ষা প্রকল্পটি পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বরিশালে ৩ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী দম্পতি আটক ডেন্টালে জাতীয় মেধায় প্রথম হয়েছেন নাসরিন সুলতানা ইভা সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হলেন লাকুটিয়ার সন্তান সৌরভ রায়। মেহেন্দিগঞ্জে গলায় খাবার আটকে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু বরিশালে বিএমপি’র অভিযানে গাঁজাসহ দুই গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার বরিশালে ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই। বাবা’র মরণেই দুঃসহ জীবনের শুরু…! রিজিক নিয়ে বৃথা টেনশন করে লাভ নেই!
আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও মেরিন রেসকিউ বোট অকেজো পড়ে আছে

আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও মেরিন রেসকিউ বোট অকেজো পড়ে আছে

অনলাইন ডেস্কঃ খুলনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও একটি মেরিন রেসকিউ বোট অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে প্রায় ৫ বছর। চালক না থাকায়, দেওয়ার পর থেকে কখনও এটি চালানো হয়নি। এর ফলে এগুলো অকেজো হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখাসূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে খুলনা জেলা প্রশাসনকে একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি মেরিন রেসকিউ বোট দেওয়া হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষকে উদ্ধার এবং ত্রাণ তৎপরতা চালানোর জন্য এ দুটি জলযান দেয় মন্ত্রণালয়। যার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেওয়ার পর থেকে জলযান দুটি বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন রূপসা নদীর ফরেস্ট ঘাটে পড়ে রয়েছে। ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় জলযান দুটির ইঞ্জিন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ বিকল হওয়ার পথে।

এ ব্যাপারে খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, খুলনা এমনিতেই উন্নয়ন বঞ্চিত ও অবহেলার শিকার। সেখানে মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার জন্য দুটি জলযান দিয়েছিল। সেই জলযান অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাবে এটা মেনে নিতে কষ্ট হয়। তিনি বলেন, দুর্যোগ প্রবণ জেলা খুলনায় জলযান দুটি যাতে ব্যবহার করা যায়, জেলা প্রশাসনের সেই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এ ব্যাপারে খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল হোসেন বলেন, ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হলেও জেলা প্রশাসনের অধীনে এটির চালকের কোনো পদ নেই। সে কারণে এটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিষয়টি লিখিতভাবে একাধিকবার মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। সমস্যার সমাধান হয়নি। এলাকাবাসী আশা করছেন, মূল্যবান এই সম্পদ অচিরেই জনগণের প্রয়োজনে ব্যবহারের উপযুক্ত করা হবে।

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৮২২৮১৫৭৪৮