রোজ বৃহস্পতিবার, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ২:৫০

শিরোনামঃ
মির্জাগঞ্জে ৬০ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতি সচলঃ এমপি জ্যাকব কলাপাড়ায় মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় স্কুল ছাত্র নিহত বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও গাঁজা সহ পিতা-পুত্র গ্রেফতার। ইসরায়েলে ধর্মীয় উৎসবে পদদলিত হয়ে ৪৪ জনের প্রাণহানি হাসপাতাল পালানো সেই ১০ জনের ‘ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট’ পরীক্ষার উদ্যোগ নেই দিল্লির শ্মশানে দীর্ঘ লাইন, মরদেহ ছিঁড়ে খাচ্ছে কুকুর অধিক দামে তরমুজ বিক্রয় করার অপরাধে ০৬ ব্যবসায়ীকে ৯,৭০০ টাকা জরিমানা বরিশালে তরমুজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন বাজারে মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১৪ ব্যবসায়ীকে ১০৩০০ টাকা জরিমানা পাত্র করোনায় আক্রান্ত, পিপিই পরেই বিয়ে সারলেন কনে!
খেয়া ও ফেরিঘাটে যাত্রীদের হয়রানি, দু’জনকে কারাদণ্ড

খেয়া ও ফেরিঘাটে যাত্রীদের হয়রানি, দু’জনকে কারাদণ্ড

ধানসিঁড়ি নিউজ অনলাইন ডেস্ক:

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ খেয়া ও ফেরিঘাটে যাত্রীদের হয়রানি করার দায়ে জেলা পরিষদের এক কর্মচারীসহ দু’জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ০১ জুন শনিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজিত হাওলদারের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের এ কারাদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরিশাল জেলা পরিষদের কর্মচারী ওয়াহিদুজ্জামান ও মীরগঞ্জ গ্রামের হাসেম সাজোয়ালের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম।
খবরে প্রকাশ, মীরগঞ্জের খেয়া ও ফেরি একই ঘাটে সংযুক্ত। যেখানে যাত্রী ও যানবাহনের কাছ থেকে টোল আদায়ে খোদ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জেলা পরিষদের কর্মচারীদের অনিয়মের প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা ইউএনও সুজিত হাওলদার বলেন, অভিযোগ ও গোপন সংবাদ ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান চালায়। যেখানে নানান অনিয়মের অপরাধে জেলা পরিষদের কর্মচারী ওয়াহিদুজ্জামানকে ১৫ ও রিয়াজুলকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। উপজেলার মীরগঞ্জ খেয়া ও ফেরিঘাটে হয়রানি এবং জিম্মি করাসহ নানান অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের পক্ষ থেকে উঠে আসছিলো। ধারাবাহিকতায় শুক্রবারই ঘাটটি খাস ইজারায় পুরোপুরি জেলা পরিষদ দায়িত্ব নিয়েছিলো টোল আদায়ে। স্থানীয় সরকারের একটি সংস্থা দায়িত্ব নিয়েও অনিয়মে জড়ানোয় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
তারা জানান, খেয়াঘাটের যাত্রী জনপ্রতি ৭ টাকার ভাড়া ১০ টাকা, মোটরসাইকেলের ১৬ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা এবং ফেরিঘাটে ১০০ টাকার গাড়ির ভাড়া ১৬০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছিল।