রোজ বৃহস্পতিবার, ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:১৩

শিরোনামঃ
বিএমপি’র অভিযানে ৪৫ পিস ইয়াবা সহ গ্রেফতার ০২ বরিশালে লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা ও ৬ জনকে আটক। মীরগঞ্জ খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় যাত্রীকে মারধর- অভিযুক্ত গ্রেফতার নগদের ৮ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের রহস্য উদঘাটন, ডিএসও নুরুল্লাহ গ্রেফতার। বিএমপি’র সৌজন্যে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম। মতলবে দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিঃ এর বিক্রয় প্রতিনিধির আত্মহত্যা নগরীতে করোনা প্রতিরোধ বুথের উদ্বোধন করলেন পুলিশ কমিশনার বিএমপি। বরিশালে জেলা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বয়ে ৩ শতাধিক শিশুকে খাদ্য বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দে ১নং রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের মাখরকাঠী গ্রামের পাকা রাস্তার কাজ শেষ পর্যায়ে
১০ হাজার ইয়াবাসহ এসআই গ্রেপ্তার

১০ হাজার ইয়াবাসহ এসআই গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্কঃ চট্টগ্রামে ১০ হাজার ইয়াবা বড়িসহ পুলিশের একজন উপপরিদর্শককে (এসআই) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর নাম ছিদ্দিকুর রহমান। তিনি চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বন্দর জোনে কর্মরত ছিলেন।

র‍্যাব ও পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের যৌথ অভিযানের সময় আজ শুক্রবার রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার সিজিএস কলোনি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিট চট্টগ্রামের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সিজিএস কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিদ্দিকুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া নগদ ৮০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। আর কেউ জড়িত আছেন কিনা তদন্ত অব্যাহত আছে। এই ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) হামিদুল আলম রাতে বলেন, ছিদ্দিকুর শিকলবাহা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সেখানে থেকে ১৫ দিন আগে তাঁকে সরিয়ে আনা হয়। এরপর বন্দর ট্রাফিক বিভাগে বদলি করা হয়। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ৩১ আগস্ট নগরের কোতওয়ালর থানার লালদীঘির পাড় পুরোনো গির্জা লেনের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিচ ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন জহিরুল ইসলাম, পলাশ ভট্টাচার্য ও আনোয়ার হোসেন। তাঁদের মধ্যে জহিরুল পুলিশ কনস্টেবল। তিনি চট্টগ্রাম আদালতের পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন (জিআরও) শাখায় কর্মরত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তিনি কোতওয়ালী থানার পুলিশকে জানান, বিক্রির জন্য ইয়াবাগুলো তার কাছে রেখেছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল ওয়াদুদ।

উদ্ধার করা ইয়াবা জব্দতালিকায় কম দেখিয়ে তিনি নিজের কাছে রাখেন। পরে বিক্রির জন্য দিয়েছেন। পলাশ ও আনোয়ার এগুলো কেনার জন্য এসেছিলেন। তার আগেই পুলিশ তাঁদের ধরে ফেলে।