রোজ বৃহস্পতিবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৭:২৯

শিরোনামঃ
এইচ টি ইমাম আর নেই বরিশালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালিত চরফ্যাসন পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন সিদ্দিকুর রহমান মোক্তাদী ২য় বারের মত কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন মিজানুর রহমান মঞ্জু চরফ্যাসন পৌরসভার মেয়র হলেন নৌকার কান্ডারী এসএম মোরশেদ “মামলা তদন্তে অদক্ষতা, অলসতা, অমনোযোগীতা গাফিলতি, পক্ষপাতিত্ব বা অপেশাদারীত্বের অভিযোগ পেলে, কঠোর বিভাগীয় ব্যাবস্থা। ” মাসিক কল্যাণ সভায় বিএমপি কমিশনার। বাবুগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত কাশিপুর ইউনিয়নে স্মার্ট কার্ড বিতরন করা হবে আগামী ৬ ই মার্চ কলাপাড়ায় প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নেয়ায় প্রেমিক যুগলের বিষপান, প্রেমিকের মৃত্যু এবং প্রেমিকা হাসপাতালে। প্রতিপক্ষকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে বিএমপি’র জালে ০৩ (তিন)জন
আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও মেরিন রেসকিউ বোট অকেজো পড়ে আছে

আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও মেরিন রেসকিউ বোট অকেজো পড়ে আছে

অনলাইন ডেস্কঃ খুলনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স ও একটি মেরিন রেসকিউ বোট অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে প্রায় ৫ বছর। চালক না থাকায়, দেওয়ার পর থেকে কখনও এটি চালানো হয়নি। এর ফলে এগুলো অকেজো হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখাসূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে খুলনা জেলা প্রশাসনকে একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি মেরিন রেসকিউ বোট দেওয়া হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষকে উদ্ধার এবং ত্রাণ তৎপরতা চালানোর জন্য এ দুটি জলযান দেয় মন্ত্রণালয়। যার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেওয়ার পর থেকে জলযান দুটি বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন রূপসা নদীর ফরেস্ট ঘাটে পড়ে রয়েছে। ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় জলযান দুটির ইঞ্জিন ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ বিকল হওয়ার পথে।

এ ব্যাপারে খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, খুলনা এমনিতেই উন্নয়ন বঞ্চিত ও অবহেলার শিকার। সেখানে মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার জন্য দুটি জলযান দিয়েছিল। সেই জলযান অযত্ন অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাবে এটা মেনে নিতে কষ্ট হয়। তিনি বলেন, দুর্যোগ প্রবণ জেলা খুলনায় জলযান দুটি যাতে ব্যবহার করা যায়, জেলা প্রশাসনের সেই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এ ব্যাপারে খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল হোসেন বলেন, ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হলেও জেলা প্রশাসনের অধীনে এটির চালকের কোনো পদ নেই। সে কারণে এটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিষয়টি লিখিতভাবে একাধিকবার মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। সমস্যার সমাধান হয়নি। এলাকাবাসী আশা করছেন, মূল্যবান এই সম্পদ অচিরেই জনগণের প্রয়োজনে ব্যবহারের উপযুক্ত করা হবে।