ঢাকা 2:58 am, Sunday, 6 September 2026

মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে গনধর্ষণ

নিউজ ডেস্ক।। পঞ্চগড়ে তরুণীকে (২৮) মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে সাজ্জাদ হোসেন মিলন (৩৩) ও ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে লাকি বেগম (৪৬) নামে এক নারীসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে ওই নারীসহ ২ জনকে আটক করেছে বোদা থানা পুলিশ। আটক সাজ্জাদ হোসেন মিলন বোদা পৌর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ও লাকী বেগম ওই এলাকার নজরুল ইসলামের স্ত্রী।

বোদা থানা সূত্রে জানা যায়, সাজ্জাদ মিউজিক ভিডিও এডিটর হিসেবে কাজ করেন। সাজ্জাদ মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে কাজ করানোর কথা বলে বোদায় আসতে বলেন ভিকটিমকে। সাজ্জাদের কথা অনুযায়ী ওই তরুণী গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) বোদায় বাসযোগে আসে। পরে তাকে আটক লাকীর বাড়িতে রেখে ১৪/১৫ জন জোরপূর্বকভাবে ধর্ষণ করে বলে ভিকটিম অভিযোগ করে।

পরে ওই তরুণী বোদা থানায় গত ১৫ জুলাই (বুধবার) রাতে মিলন ওই নারীসহ ৩ জনের নামে উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৪/১৫ জনের নামে মামলা দায়ের করে এবং পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী মিলন ও তিন নং আসামী লাকিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া জানান, ওই তরুণী থানায় মামলা দায়ের করলে রাতে মামলার প্রধান আসামী সাজ্জাদসহ ২ জনকে আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে গনধর্ষণ

আপডেট সময় : 10:09:28 am, Friday, 17 July 2020

নিউজ ডেস্ক।। পঞ্চগড়ে তরুণীকে (২৮) মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে সাজ্জাদ হোসেন মিলন (৩৩) ও ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগে লাকি বেগম (৪৬) নামে এক নারীসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতে ওই নারীসহ ২ জনকে আটক করেছে বোদা থানা পুলিশ। আটক সাজ্জাদ হোসেন মিলন বোদা পৌর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ও লাকী বেগম ওই এলাকার নজরুল ইসলামের স্ত্রী।

বোদা থানা সূত্রে জানা যায়, সাজ্জাদ মিউজিক ভিডিও এডিটর হিসেবে কাজ করেন। সাজ্জাদ মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে কাজ করানোর কথা বলে বোদায় আসতে বলেন ভিকটিমকে। সাজ্জাদের কথা অনুযায়ী ওই তরুণী গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) বোদায় বাসযোগে আসে। পরে তাকে আটক লাকীর বাড়িতে রেখে ১৪/১৫ জন জোরপূর্বকভাবে ধর্ষণ করে বলে ভিকটিম অভিযোগ করে।

পরে ওই তরুণী বোদা থানায় গত ১৫ জুলাই (বুধবার) রাতে মিলন ওই নারীসহ ৩ জনের নামে উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৪/১৫ জনের নামে মামলা দায়ের করে এবং পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী মিলন ও তিন নং আসামী লাকিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া জানান, ওই তরুণী থানায় মামলা দায়ের করলে রাতে মামলার প্রধান আসামী সাজ্জাদসহ ২ জনকে আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।