ঢাকা 5:33 pm, Monday, 21 September 2026

অসহায় দুই নারী পাশে মানবাধিকার কর্মী রেহেনা

বিশেষ প্রতিনিধি: সমাজের সাধারণ মামুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, নিজের সাধ্যানুযায়ী বিপদে-আপদে সাধারণের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেই অভ্যস্ত যিনি। অসহায় কোনো মানুষ যাঁর কাছ থেকে কখনও একেবারে খালি হাতে ফেরে না, তিনি মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান
ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা।

তারই ধারাবাহিকতায় দুই অসহায় নারী তাঁর দরজায় এসে পেলেন পারিবারিক মামলার সকল সহায়তার আশ্বাস। তাঁদের মামলার সকল দায়িত্বভার নিজ কাঁধে তুলে নিলেন রেহেনা।

১৯ জুলাই খুব সকালে দুই মহিলা (নিরাপত্তার স্বার্থে নাম, ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক) ফেরদৌসী আক্তার রেহেনার বাসার দরজায় হাজির হয়ে তাদের সমস্যার কথা বলেন। ভুক্তভোগীরা রেহেনাকে জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের স্বামী কোনো খোঁজ খবর নেয় না। এদের মধ্যে একজন মহিলার ২টি সন্তান আছে, সেই সন্তানদের নিয়ে সে অনেক কষ্টে দিন যাপন করছে। স্বামীরা তাদের কোন খবরই নেয় না, দেয় না কোনো খরচ। যদি তারা স্বামীর খোঁজ নিতে যায় তাহলে উল্টো তাদের উপর অত্যাচার করে। সকলের সামনে মারধর করে। ভুক্তভোগী মহিলারা তাকে জানায় যে, সামাজিক ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু এর কোন ফল পাননি তারা। তাছাড়া মামলা মোকদ্দমা করার মতো আর্থিক সংগতিও তাদের নেই এবং মামলার বিষয়ে তাদের কোনো অভিজ্ঞতাও নেই। তাই তারা ছুঁটে এসেছে সাহায্যের আশায়।

তাদের সকল কথা শোনার পর ফেরদৌসী আক্তার রেহানা তাৎক্ষনিক তাদের নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টে যান এবং সেই সময়ই মামলার সকল কাজ সম্পন্ন করেন।

ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা সাহায্যের আশায় রেহানা আপার কাছে এসেছিলাম। তিনি আমাদের পক্ষে স্বামীদের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা দায়ের করে দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন আমরা ন্যায় বিচার না পাওয়া পর্যন্ত মামলা পরিচালনা এবং যাবতীয় খরচ তিনি বহন করবেন। আমরা আপার জন্য অনেক দোয়া করছি।

এবিষয়ে রেহেনা বলেন, আমি সাধারন মানুষের বন্ধু। তাই সব সময় তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। তিনি বলেন, আমার খুব বেশি সামর্থ্য নেই, তারপরেও সাধ্যানুযায়ী অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যেতে চাই। আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি আপনাদের সেবা করেই জীবনটা কাটিয়ে দিতে পারি। আপনাদের মুখের হাসিই আমার জীবনের সব চেয়ে বড় পাওয়া।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অসহায় দুই নারী পাশে মানবাধিকার কর্মী রেহেনা

আপডেট সময় : 03:26:40 pm, Tuesday, 21 July 2020

বিশেষ প্রতিনিধি: সমাজের সাধারণ মামুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, নিজের সাধ্যানুযায়ী বিপদে-আপদে সাধারণের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেই অভ্যস্ত যিনি। অসহায় কোনো মানুষ যাঁর কাছ থেকে কখনও একেবারে খালি হাতে ফেরে না, তিনি মানবাধিকার কর্মী রোটারিয়ান
ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা।

তারই ধারাবাহিকতায় দুই অসহায় নারী তাঁর দরজায় এসে পেলেন পারিবারিক মামলার সকল সহায়তার আশ্বাস। তাঁদের মামলার সকল দায়িত্বভার নিজ কাঁধে তুলে নিলেন রেহেনা।

১৯ জুলাই খুব সকালে দুই মহিলা (নিরাপত্তার স্বার্থে নাম, ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক) ফেরদৌসী আক্তার রেহেনার বাসার দরজায় হাজির হয়ে তাদের সমস্যার কথা বলেন। ভুক্তভোগীরা রেহেনাকে জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের স্বামী কোনো খোঁজ খবর নেয় না। এদের মধ্যে একজন মহিলার ২টি সন্তান আছে, সেই সন্তানদের নিয়ে সে অনেক কষ্টে দিন যাপন করছে। স্বামীরা তাদের কোন খবরই নেয় না, দেয় না কোনো খরচ। যদি তারা স্বামীর খোঁজ নিতে যায় তাহলে উল্টো তাদের উপর অত্যাচার করে। সকলের সামনে মারধর করে। ভুক্তভোগী মহিলারা তাকে জানায় যে, সামাজিক ভাবে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু এর কোন ফল পাননি তারা। তাছাড়া মামলা মোকদ্দমা করার মতো আর্থিক সংগতিও তাদের নেই এবং মামলার বিষয়ে তাদের কোনো অভিজ্ঞতাও নেই। তাই তারা ছুঁটে এসেছে সাহায্যের আশায়।

তাদের সকল কথা শোনার পর ফেরদৌসী আক্তার রেহানা তাৎক্ষনিক তাদের নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টে যান এবং সেই সময়ই মামলার সকল কাজ সম্পন্ন করেন।

ভুক্তভোগীরা বলেন, আমরা সাহায্যের আশায় রেহানা আপার কাছে এসেছিলাম। তিনি আমাদের পক্ষে স্বামীদের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা দায়ের করে দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন আমরা ন্যায় বিচার না পাওয়া পর্যন্ত মামলা পরিচালনা এবং যাবতীয় খরচ তিনি বহন করবেন। আমরা আপার জন্য অনেক দোয়া করছি।

এবিষয়ে রেহেনা বলেন, আমি সাধারন মানুষের বন্ধু। তাই সব সময় তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। তিনি বলেন, আমার খুব বেশি সামর্থ্য নেই, তারপরেও সাধ্যানুযায়ী অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যেতে চাই। আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি আপনাদের সেবা করেই জীবনটা কাটিয়ে দিতে পারি। আপনাদের মুখের হাসিই আমার জীবনের সব চেয়ে বড় পাওয়া।