রোজ বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৪৯

শিরোনামঃ
মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অব্যাহত অভিযানে ৬৭ জেলের কারাদন্ড এবং লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায় পলাশপুর কলোনীতে মহানগর গোয়েন্দা বিএমপি’র ব্লক রেইড। মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ণ মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় ৫৯ জেলের কারাদন্ড; ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়৷ সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানালেন হাজী মোঃ শরিফুল হক শারদীয় দুর্গা পূজা উদযাপন উপলক্ষে সদর উপজেলা ও মহানগরের পূজা মণ্ড‌পে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর অনুদান অনলাইনে নয় সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা ঢাবিতে, স্ব স্ব বিভাগে পরীক্ষা দেয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন এক আঙিনায় মসজিদ ও মন্দির সহাবস্থানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মা ইলিশ রক্ষায় ইউএনও-র অভিযানে ৩৫ জেলের কারাদন্ড; ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায়
যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ড.হারুন অর রশিদ বিশ্বাস

যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ড.হারুন অর রশিদ বিশ্বাস

নিউজ ডেস্ক।। বরিশালের গৌরব বাবুগঞ্জে মুলাদী’র কৃতি সন্তান আলোকিত মানুষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর যুগ্ম-সচিব ড.মো: হারুন অর রশিদ বিশ্বাস পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হয়েছেন।

সূত্র মতে এবার ৯৮ জন যুগ্ম-সচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) উপ-সচিব মুহাম্মদ আবদুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এই পদোন্নতিতে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে ১৩তম ব্যাচকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে ৯৮ কর্মকর্তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। তবে তাদের পদায়ন করা হয়নি।অতিরিক্ত সচিব পদে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১২১। বর্তমানে অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত আছেন ৫১৩ জন। এ পরিস্থিতিতে ৯৮ জনকে অতিরিক্ত সচিব করা হলো। এর ফলে এ পদে কর্মকর্তার সংখ্যা দাঁড়াল ৬১১ তে। যদিও অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ১৩০টি। হিসাব অনুযায়ী অনুমোদিত পদের চেয়ে অতিরিক্ত কর্মকর্তা সংখ্যা দাঁড়াল ৪৯০। সঙ্গত কারণে পদ না থাকায় পদোন্নতি পাওয়া অধিকাংশ কর্মকর্তাকে আগের পদেই (ইন সিটু) কাজ করতে হবে অথবা ওএসডি থাকতে হবে।

উল্লেখ্য যে ড: হারুন অর রশিদ বিশ্বাস বরিশাল জেলা বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নে দক্ষিণ ভূতেরদিয়া কতগ্ৰামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম বিশ্বাস পরিবারে ১৯৬৫ সনে ১১জুলাই পিতা আঃ আউয়াল বিশ্বাস ও মাতা শামছুন্নাহার বেগমের এর ঘড় কে আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ গ্ৰামে ফরিদগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৯সালে এস এসসি এবং সরকারী বিএম কলেজ থেকে ১৯৮১ সালে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাস করেন। ১৯৯০সালে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে স্নতক এরং ১৯৯৩সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্র জীবনে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং স্বৈরশাসন বিরোধী আন্দোলন সহ ছাত্র ও গণমানুষের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট ছিলেন।

১৯৯১সালে প্রথম বাংলাদেশ সিভিলে সার্ভিস ( কৃষি) ক্যাডারে যোগদান করেন পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সিভিলে সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। চাকুরীর শুরুতে তিনি ঢাকা ময়মনসিংহ জেলায় ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।১৯৯৮ সালে জানুয়ারি পয়ন্ত তিনি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশনে সহকারী পরিচালক ও ঢাকা জেলার জেলা দূর্নীতি দমন কমকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ফেনী জেলা রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে এবং বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দায়িত্ব পালন করেন। চাকুরীরত অবস্থায় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ধান ও সবজিতে আসেনিকের প্রভাব বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্ৰি লাভ করেন।

বর্তমানে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর যুগ্নসচিব হিসেবে কর্মরত আছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি নিরহংকারী ও সদালাপী তিনি আত্ম অহমিকা ও লৌকিকতারকে একেবারেই অপছন্দ করেন। শতব্যস্থতার মধ্যে ও নিজ দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত ফরিদগঞ্জ বহুমুখী ফাজীল মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

সমাজ উন্নয়নে অসহায় হতদরিদ্র শিশুদের প্রথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজ এলাকায় মায়ের নামে শামছুন্নাহার শিশু কল্যান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। শামছুন্নাহার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর মধ্যে সমাজ উন্নয়ন সহ অসহায় হতদরিদ্র পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। সরকারী ভাবে প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। পারিবারিক জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।