বিশেষ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জে জাফরিন জাহান লিজা নামের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মাজহারুল ইসলাম রায়হান নামীয় এক দূর্বৃত্ত এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে। জাফরিন জাহান লিজা এম ডব্লিউ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং সিদ্ধিরগঞ্জ কদমতলী পশ্চিমপাড়া নিবাসী মোঃ হারুন মিয়ার মেয়ে।
এর প্রতিবাদে গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে চাষারা কেন্দ্রীয় পৌর শহিদ মিনারের সামনে ভুক্তভোগীর পরিবার, এলকাবাসী ও BHDS অপরাধ প্রতিরোধ কল্যান সংস্থা, অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে।
মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত। অভিযুক্ত মাজহারুল ইসলাম রায়হান এবং তার পরিবার ক্রমাগত লিজার পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছে, এমনকি মেরে ফেলারও হুমকি দিচ্ছে। এমতাবস্থায় ধর্ষক মাজহারুল ইসলাম রায়হানকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করা হয়। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের রাস্তায় উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে। উল্টো পথে গাড়ি না চালানোর জন্যও প্রতিবাদ জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।
সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল, নারায়ণগঞ্জ জেলার মহিলা বিষয়ক সহ-সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রেহেনাসহ অনেক মানুষ বৈরী আবহাওয়ায় উপক্ষো করেও মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন অংশগ্রহণ করে ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আপনি এমন কিছু আইন করুন যাতে কেহ আর ধর্ষণ করতে সাহস না পায়, আমাদের আর ধর্ষণের খবর শুনতে না হয়।”

মানববন্ধন শেষে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফেরদৌস আক্তার রেহেনার নেতৃত্বে সাধারণের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়। পরে উল্টো পথে গাড়ি না চালানোর জন্য জনসচেতনতার লক্ষ্যে এক র্যালীতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
এবিষয়ে ফেরদৌসী আক্তার রেহেনার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “কোনো প্রতিকূলতা বা ভয়ভীতি আমাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন মানব কল্যাণে কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ”।
বার্তা কক্ষ 








