ঢাকা 8:39 am, Tuesday, 22 September 2026

এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আসামি রাজন গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক।। সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় রাজন নামে অভিযুক্ত আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভোর রাতে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

একইসাথে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজনের সহযোগী আইনুল নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। রোববার রাতে মামলার তিন নম্বর আসামি মাহবুবুর রহমান রনিকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৯ এর একটি দল। ৫ নম্বর আসামি রবিউল হাসানকে হবিগঞ্জের নীবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে মোট গ্রেফতার হলো ৫ জন।

এর আগে গতকাল মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিকে মাধবপুর এলাকা থেকে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে গ্রেফতারের কথা জানায় পুলিশ।

এর আগে এ ঘটনায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করে শনিবার সকালে নগরীর শাহপরান থানায় মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামী।পলাতক বাকী আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি আসামিদের পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে সিলেটের সব সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ঘটনার পরই অভিযুক্তদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার রাত ২টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপও উদ্ধার করে।

জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা।

খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

তথ্য সূত্রঃঃ যমুনা নিউজ

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আসামি রাজন গ্রেফতার

আপডেট সময় : 09:59:17 am, Monday, 28 September 2020

নিউজ ডেস্ক।। সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় রাজন নামে অভিযুক্ত আরও এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভোর রাতে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

একইসাথে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজনের সহযোগী আইনুল নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। রোববার রাতে মামলার তিন নম্বর আসামি মাহবুবুর রহমান রনিকে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৯ এর একটি দল। ৫ নম্বর আসামি রবিউল হাসানকে হবিগঞ্জের নীবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে মোট গ্রেফতার হলো ৫ জন।

এর আগে গতকাল মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিকে মাধবপুর এলাকা থেকে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে গ্রেফতারের কথা জানায় পুলিশ।

এর আগে এ ঘটনায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করে শনিবার সকালে নগরীর শাহপরান থানায় মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামী।পলাতক বাকী আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি আসামিদের পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে সিলেটের সব সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ঘটনার পরই অভিযুক্তদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার রাত ২টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপও উদ্ধার করে।

জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা।

খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

তথ্য সূত্রঃঃ যমুনা নিউজ