রোজ শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:৫৯

শিরোনামঃ
বরিশালে ৫ শত জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্মার্ট সাদা ছড়ি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রবীণ আইনজীবী রফিক-উল হক আর নেই সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, বরিশাল শাখার যাত্রা শুরু সুস্থভাবে বাঁচতে চায় শিশু তানজিলা, প্রয়োজন বিত্তবানদের সহযোগিতা। মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অব্যাহত অভিযানে ৬৭ জেলের কারাদন্ড এবং লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায় পলাশপুর কলোনীতে মহানগর গোয়েন্দা বিএমপি’র ব্লক রেইড। মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ণ মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় ৫৯ জেলের কারাদন্ড; ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়৷ সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানালেন হাজী মোঃ শরিফুল হক শারদীয় দুর্গা পূজা উদযাপন উপলক্ষে সদর উপজেলা ও মহানগরের পূজা মণ্ড‌পে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর অনুদান
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে এ সংক্রান্ত আইনটির একটি সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বাংলাদেশের সরকার।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, যেহেতু সংসদ অধিবেশন বসছে না, তাই আগামীকালই (মঙ্গলবার) রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারীর মাধ্যমে এটি কার্যকর করা হবে। পরবর্তীতে সলসদ অধিবপশন বসলে আইনটি পাশ কীা হবে।
আইনের ৯/১ ধারায় ধর্ষণের জন্য সাজা ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এটি সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী।সেইসঙ্গে ৯/৪ ধারাতেও সংশোধন আনা হয়েছে। কিছুদিন আগে হাইকোর্ট বিভাগের দ্বৈতবেঞ্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১/গ ধারায় সাধারণ জখম আপোষযোগ্য করার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেছিল।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের সকল সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান আইনমন্ত্রী। এর ফলে বিদ্যমান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোয় সংশোধনী আনা হবে।
এছাড়া নতুন পুরান মিলিয়ে ধর্ষণের সব মামলাগুলোর আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এই সংশোধনীর কারণে বাংলাদেশে ধর্ষণের হার কমবে বলে আশা করছেন মন্ত্রী।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি এসেছে, তাই সরকার তা বিবেচনায় নিয়েছে।
গত শুক্রবার এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশের আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

একের পর এক ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ছাত্র, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বিক্ষোভ-সমাবেশ করে চলেছে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ওই নির্দেশনার খবর আসে।

ছাত্র সংগঠন-সহ বিভিন্ন সংগঠন ধর্ষণের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। এসব সমাবেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রচলন করার দাবি তোলা হয়।

ধর্ষণের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলনের মুখে সরকার আইন পরিবর্তনের এই পদক্ষেপ নিল।
Courtesy by BBC