রোজ শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৩৭

শিরোনামঃ
বরিশালে ৫ শত জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্মার্ট সাদা ছড়ি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রবীণ আইনজীবী রফিক-উল হক আর নেই সুলতান আহম্মেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, বরিশাল শাখার যাত্রা শুরু সুস্থভাবে বাঁচতে চায় শিশু তানজিলা, প্রয়োজন বিত্তবানদের সহযোগিতা। মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় অব্যাহত অভিযানে ৬৭ জেলের কারাদন্ড এবং লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায় পলাশপুর কলোনীতে মহানগর গোয়েন্দা বিএমপি’র ব্লক রেইড। মাধ্যমিকে বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না, অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ণ মেহেন্দিগঞ্জে মা ইলিশ রক্ষায় ৫৯ জেলের কারাদন্ড; ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়৷ সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানালেন হাজী মোঃ শরিফুল হক শারদীয় দুর্গা পূজা উদযাপন উপলক্ষে সদর উপজেলা ও মহানগরের পূজা মণ্ড‌পে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর অনুদান
আলুর দাম কেজি প্রতি ৩০ টাকার বেশি রাখলেই আইনগত ব্যবস্থা

আলুর দাম কেজি প্রতি ৩০ টাকার বেশি রাখলেই আইনগত ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্কঃ আলুর বাজারে অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন পর্যায়ে সবজিটির মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।


নির্ধারিত মূল্য হিসেবে প্রতি কেজি আলুর দাম হিমাগারে ২৩ টাকা, পাইকারিতে ২৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৩০ টাকা দরে বিক্রি নিশ্চিত করতে সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।
একই সঙ্গে উল্লিখিত দামে কোল্ড স্টোরেজ, পাইকারি বিক্রেতা ও ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতাসহ তিন পক্ষই যাতে আলু বিক্রি করে, সে জন্য কঠোর মনিটরিং ও নজরদারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে ডিসিদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গত আলুর মৌসুমে প্রায় ১ দশমিক ৯ কোটি মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে। দেশে মোট আলুর চাহিদা প্রায় ৭৭ দশমিক ৯ লাখ মেট্রিক টন। এতে দেখা যায়, গত বছর উৎপাদিত মোট আলু থেকে প্রায় ৩১ দশমিক ৯১ লাখ মেট্রিক টন আলু উদ্বৃত্ত থাকে। কিছু পরিমাণ আলু রপ্তানি হলেও ঘাটতির আশঙ্কা নেই।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে একজন চাষির প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে আট টাকা ৩২ পয়সা। আর আলুর মৌসুমে যখন হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে তখন প্রতি কেজি আলুর সর্বোচ্চ দাম ছিল ১৪ টাকা। প্রতি কেজি আলুর হিমাগারভাড়া বাবদ ৩.৩৬ টাকা, বাছাই খরচ ০.৪৬ টাকা ও ওয়েট লস ০.৮৮ টাকা, মূলধন সুদ ও অনান্য খরচ বাবদ ব্যয় হয় দুই টাকা। অর্থাৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে অন্য খরচ ধরে এক কেজি আলু হিমাগার পর্যন্ত সংরক্ষণে সর্বমোট ব্যয় হয়েছে ২১ টাকা।
এ ক্ষেত্রে হিমাগার পর্যায়ে বিক্রিমূল্যের ওপর ২-৫ শতাংশ লভ্যাংশ, পাইকারি পর্যায়ে ৪-৫ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে ১০-১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ধরে হিমাগারের আলুর দাম ২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে আলু সংরক্ষণকারীর লাভ হয় কেজি প্রতি দুই টাকা।

অন্যদিকে আড়তদারি, খাজনা ও লেবার খরচ বাবদ ৭৬ পয়সা খরচ হয়। সে ক্ষেত্রে পাইকারি পর্যায়ে দাম পড়ে ২৩.৭৬ টাকা। এর সঙ্গে মুনাফা ধরে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ভোক্তা পর্যায়ে সেটা ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সংস্থাটি। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে বর্তমানে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, যা অযৌক্তিক। কোনোক্রমেই তা গ্রহণযোগ্য নয়। তাই কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা এবং খুচরা বা ভোক্তা পর্যায়ে ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে গত ১১ সেপ্টেম্বর সারা দেশের হিমাগার মালিকদের কাছে বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও হিমাগারে সংরক্ষণকারী কৃষক, ব্যাপারী ও ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় আলু ছাড়ছেন না। কোনো কোনো অঞ্চলে হিমাগার থেকে ধীরগতিতে আলু সরবরাহ হচ্ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা সাধারণের সুবিধার্থে হিমাগার থেকে প্রয়োজনীয় আলু সরবরাহ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলো।

এ ছাড়া সবজিটি মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করার বিষয়ে বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন সতর্ক করেছে হিমাগার মালিকদের।