ঢাকা 8:38 am, Monday, 21 September 2026

চরফ্যাশনে টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে পড়ে ৪০ কিশোর উপহার পেল বাইসাইকেল

মহিব্বুল্লাহ চরফ্যাশন থেকে৷। ভোলার চরফ্যাশনে একটানা ৪০দিন মসজিদে নিয়মিত জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে ৪০ কিশোর পেল বাইসাইকেল৷

রবিবার (১৬মে) বিকেলে চরফ্যাশন পৌরসভা শরিফ পাড়া ৫নং ওয়ার্ডে করিমজান মহিলা কামিল মাদ্রাসা মাঠে ৪০ জনের মাঝে এই বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।

এলাকার উঠতি বয়সী শিশু কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন চরফ্যাশন বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব ওবায়দুল হক রতন। রমজানের আগে তার এই ঘোষণায় এলাকার অনেক কিশোর পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ শুরু করে। এদেরকে নিয়মিত মনিটরিং করা হয়। যাচাই বাছাই শেষে এদের মধ্যে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়া ৪০ জন কিশোরের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেয়া হয়৷ তার এই ঘটনা সমাজে অনুকরণীয় দৃস্টান্ত।

উঠতি বয়সী কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখী করাই ছিল ওবায়দুল হক রতনের লক্ষ্য ও উদ্যেশ্য। তার এমন মহতি উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উঠতি বয়সী যুবকদের মসজিদে পাচঁ ওয়াক্ত নামাজে উদ্ধুত করার জন্য তার ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওবায়দুল হক রতন বলেন, পৃথিবীতে কেউই বেচেঁ থাকেনা। ক্ষণিকের সময়ে উঠতি বয়সী কিশোরের কোন কিছুর বিনিময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে উদ্ভুত্ত করাই ছিল আমার উদ্যোগ। আজ ৪০ জন কিশোরকে বাইসাইকেল প্রদান করেছি। আশাকরছি ভবিষ্যতে এসব কিশোরের এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চরফ্যাশনে টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে পড়ে ৪০ কিশোর উপহার পেল বাইসাইকেল

আপডেট সময় : 11:27:04 am, Monday, 17 May 2021

মহিব্বুল্লাহ চরফ্যাশন থেকে৷। ভোলার চরফ্যাশনে একটানা ৪০দিন মসজিদে নিয়মিত জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে ৪০ কিশোর পেল বাইসাইকেল৷

রবিবার (১৬মে) বিকেলে চরফ্যাশন পৌরসভা শরিফ পাড়া ৫নং ওয়ার্ডে করিমজান মহিলা কামিল মাদ্রাসা মাঠে ৪০ জনের মাঝে এই বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।

এলাকার উঠতি বয়সী শিশু কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন চরফ্যাশন বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব ওবায়দুল হক রতন। রমজানের আগে তার এই ঘোষণায় এলাকার অনেক কিশোর পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ শুরু করে। এদেরকে নিয়মিত মনিটরিং করা হয়। যাচাই বাছাই শেষে এদের মধ্যে নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়া ৪০ জন কিশোরের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেয়া হয়৷ তার এই ঘটনা সমাজে অনুকরণীয় দৃস্টান্ত।

উঠতি বয়সী কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখী করাই ছিল ওবায়দুল হক রতনের লক্ষ্য ও উদ্যেশ্য। তার এমন মহতি উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উঠতি বয়সী যুবকদের মসজিদে পাচঁ ওয়াক্ত নামাজে উদ্ধুত করার জন্য তার ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওবায়দুল হক রতন বলেন, পৃথিবীতে কেউই বেচেঁ থাকেনা। ক্ষণিকের সময়ে উঠতি বয়সী কিশোরের কোন কিছুর বিনিময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে উদ্ভুত্ত করাই ছিল আমার উদ্যোগ। আজ ৪০ জন কিশোরকে বাইসাইকেল প্রদান করেছি। আশাকরছি ভবিষ্যতে এসব কিশোরের এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।