ঢাকা 5:34 pm, Saturday, 12 September 2026

প্রায় একযুগ ধরে পড়েনি সংস্কারের ছাপ শায়েস্তাবাদ জনতার হাট থেকে বাঘের বাড়ির রাস্তায়

নিউজ ডেস্ক: বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের জনতার হাট থেকে বাঘের বাড়ির রাস্তাটির বেহাল দশায় দীর্ঘদিব ধরে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, রাস্তাটি দীর্ঘদিন কাঁচা থাকার পরে ২০০৯ সালে এক কিলোমিটার ইটের সোলিং হলেও দশ বছরেও আর কোনো কাজ করেনি জনপ্রতিনিধিগন। যার ফলে রাস্তাটির খান-খন্দে চরম ভোগান্তিসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন এ অঞ্চলের সর্স্তরের জনসাধারণ।

স্থানীয় বাসিন্দা কায়ুুম হোসেন সহ বিভিন্ন জনের সাথে কথা হয়। তারা বলেন, দীর্ঘ দশ বছর আগে এ রাস্তাটি এক কিলো সোলিং হয়, সেই থেকে এই পর্যন্ত রাস্তাটির আর কোনো সংস্কার বা কাজ করা হয়নি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক চলাচল করে। রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা খুবই বিপদ জনক। এখান থেকে অটোরিক্সা, আলফা, মটরসাইকেল, রিক্সা-ভ্যান চলাচল করে যা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হয়। জরুরি কোন রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। আমরা একালাবাসী চাচ্ছি অতিদ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে এলাকাবাসীর কষ্ট লাঘব করা হোক। এ যাবৎকাল স্হানীয় প্রতিনিধিদের কাছে বহুবার বলা সত্ত্বেও তাঁরা শুধু আশ্বাসের বাণী শুনিয়ে গেছেন, কিন্তু রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান জনাব আরিফুজ্জামান মুন্না বলেন, রাস্তাটির বিষয়ে এলজিইডি বরাবর আবেদন করা হয়েছে, যার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর ৫০৬৫১৫২৪০। এখন কাজের অগ্রগতি এলজিইডি উপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী শরীফ মোঃ জামান উদ্দিন বলেন, রাস্তাটির আগের কাজ এলবিএসবি তে হওয়ায় নতুন করে আইডেন্টিফিকেশন নম্বর ফেলে ৫ মাস আগে ডিসি মহোদয়ের সভাপতিত্বে এলজিইডি হেডকোয়ার্টার থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।মন্ত্রণালয় থেকে এখনো অনুমোদন হয়নি রাস্তাটির। অনুমোদন হলে আমরা পর্যালোচনা করে রাস্তাটির উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করবো যত দ্রুত সম্ভব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রায় একযুগ ধরে পড়েনি সংস্কারের ছাপ শায়েস্তাবাদ জনতার হাট থেকে বাঘের বাড়ির রাস্তায়

আপডেট সময় : 03:42:37 pm, Wednesday, 26 May 2021

নিউজ ডেস্ক: বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের জনতার হাট থেকে বাঘের বাড়ির রাস্তাটির বেহাল দশায় দীর্ঘদিব ধরে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, রাস্তাটি দীর্ঘদিন কাঁচা থাকার পরে ২০০৯ সালে এক কিলোমিটার ইটের সোলিং হলেও দশ বছরেও আর কোনো কাজ করেনি জনপ্রতিনিধিগন। যার ফলে রাস্তাটির খান-খন্দে চরম ভোগান্তিসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন এ অঞ্চলের সর্স্তরের জনসাধারণ।

স্থানীয় বাসিন্দা কায়ুুম হোসেন সহ বিভিন্ন জনের সাথে কথা হয়। তারা বলেন, দীর্ঘ দশ বছর আগে এ রাস্তাটি এক কিলো সোলিং হয়, সেই থেকে এই পর্যন্ত রাস্তাটির আর কোনো সংস্কার বা কাজ করা হয়নি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক চলাচল করে। রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা খুবই বিপদ জনক। এখান থেকে অটোরিক্সা, আলফা, মটরসাইকেল, রিক্সা-ভ্যান চলাচল করে যা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হয়। জরুরি কোন রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। আমরা একালাবাসী চাচ্ছি অতিদ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে এলাকাবাসীর কষ্ট লাঘব করা হোক। এ যাবৎকাল স্হানীয় প্রতিনিধিদের কাছে বহুবার বলা সত্ত্বেও তাঁরা শুধু আশ্বাসের বাণী শুনিয়ে গেছেন, কিন্তু রাস্তা সংস্কারের বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান জনাব আরিফুজ্জামান মুন্না বলেন, রাস্তাটির বিষয়ে এলজিইডি বরাবর আবেদন করা হয়েছে, যার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর ৫০৬৫১৫২৪০। এখন কাজের অগ্রগতি এলজিইডি উপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী শরীফ মোঃ জামান উদ্দিন বলেন, রাস্তাটির আগের কাজ এলবিএসবি তে হওয়ায় নতুন করে আইডেন্টিফিকেশন নম্বর ফেলে ৫ মাস আগে ডিসি মহোদয়ের সভাপতিত্বে এলজিইডি হেডকোয়ার্টার থেকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।মন্ত্রণালয় থেকে এখনো অনুমোদন হয়নি রাস্তাটির। অনুমোদন হলে আমরা পর্যালোচনা করে রাস্তাটির উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করবো যত দ্রুত সম্ভব।