ছায়ামন্ত্রীসভা (Shadow Cabinet) হলো সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দলের গঠিত একটি বিকল্প মন্ত্রিসভা। এর কাজ হলো সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করা, সমালোচনা করা এবং বিকল্প নীতি প্রস্তাব করা।
কোথায় প্রচলিত?
সবচেয়ে সুপরিচিত উদাহরণ হলো United Kingdom-এ। সেখানকার প্রধান বিরোধী দল সরকারে থাকা প্রতিটি মন্ত্রীর বিপরীতে একজন করে “Shadow Minister” নিয়োগ দেয়।
ছায়ামন্ত্রীসভার মূল বৈশিষ্ট্য
১️⃣ বিকল্প মন্ত্রিসভা
সরকারের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন ছায়ামন্ত্রী থাকেন।
যেমন— অর্থমন্ত্রীর বিপরীতে “Shadow Chancellor”।
২️⃣ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
সংসদে প্রশ্নোত্তর, বিতর্ক ও কমিটি কার্যক্রমে সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ও বিশ্লেষণ করে।
৩️⃣ বিকল্প নীতি উপস্থাপন
সরকার ব্যর্থ হলে বা নির্বাচন এলে, এই ছায়ামন্ত্রীরাই ভবিষ্যৎ সরকার গঠনের জন্য প্রস্তুত থাকে।
কেন ছায়ামন্ত্রীসভা গুরুত্বপূর্ণ?
✔️ গণতন্ত্রে চেক অ্যান্ড ব্যালান্স বজায় রাখে
✔️ সরকারের ভুল নীতির সমালোচনা করে
✔️ জনগণের সামনে বিকল্প নেতৃত্ব উপস্থাপন করে
✔️ সংসদীয় সংস্কৃতি শক্তিশালী করে।
বাংলাদেশে কী আছে?
Bangladesh-এ আনুষ্ঠানিকভাবে ছায়ামন্ত্রীসভা প্রথা নেই। তবে বিরোধী দল সংসদে সমালোচনামূলক ভূমিকা পালন করে, যা আংশিকভাবে ছায়ামন্ত্রীসভার মতো কাজ করে।
সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা:
ছায়ামন্ত্রীসভা হলো বিরোধী দলের গঠিত একটি বিকল্প মন্ত্রিসভা, যার কাজ সরকারের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ ও সমালোচনা করা এবং বিকল্প নীতি প্রস্তাব করা।
বার্তা কক্ষ 






