Notice: Trying to access array offset on value of type bool in /home/dnews/public_html/wp-content/plugins/wpecounterx/includes/class-views.php on line 68
কীর্তনখোলার তীরে ইফতার আয়োজনের মহোৎসব
ঢাকা 8:02 pm, Sunday, 17 May 2026

কীর্তনখোলার তীরে ইফতার আয়োজনের মহোৎসব

বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরজুড়ে রমজান মাসে গড়ে উঠেছে ইফতার আয়োজনের এক অনন্য আবহ। প্রতিদিন বিকেল হলেই নদীর পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন নানা বয়সী মানুষ, বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরা দলবদ্ধভাবে এসে ইফতারে অংশ নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নগরীর ৩০ গোডাউন সংলগ্ন নদীর তীর থেকে শুরু করে দপদপিয়া ব্রিজ এবং এর পরবর্তী ফেরিঘাটের পূর্ব দিক পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেলে মানুষের সমাগম ঘটে। বিভিন্ন বন্ধু-দল বা সংগঠনের সদস্যরা টিম বা গ্রুপ আকারে ইফতারের খাবার নিয়ে এসে নদীর তীরে বসে একসঙ্গে ইফতার করেন। ইফতার শেষে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে আবার যে যার গন্তব্যে ফিরে যান।

নদীর পাড়ের মনোরম পরিবেশ, কীর্তনখোলার শীতল বাতাস এবং সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য অনেকের কাছেই এক অন্যরকম অনুভূতি এনে দেয়। অনেকেই জানান, ব্যস্ত নগর জীবনের ক্লান্তি দূর করতে এই নদীর তীরে বসে ইফতার করা যেন এক বিশেষ প্রশান্তির মুহূর্ত।

তবে আগত দর্শনার্থীদের অবাধ বিচরণের জন্য নদীর তীর ঘেঁষে একটি মেরিন ড্রাইভ ধাঁচের নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে একদিকে যেমন নদীর পাড় সংরক্ষণ হবে, অন্যদিকে জায়গাটি আরও দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে বলে তারা মনে করেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন করা হলে কীর্তনখোলা নদীর তীর ভবিষ্যতে বরিশালের অন্যতম আকর্ষণীয় বিনোদন ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হতে পারে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কীর্তনখোলার তীরে ইফতার আয়োজনের মহোৎসব

আপডেট সময় : 10:20:48 am, Friday, 6 March 2026

বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর তীরজুড়ে রমজান মাসে গড়ে উঠেছে ইফতার আয়োজনের এক অনন্য আবহ। প্রতিদিন বিকেল হলেই নদীর পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন নানা বয়সী মানুষ, বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরা দলবদ্ধভাবে এসে ইফতারে অংশ নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নগরীর ৩০ গোডাউন সংলগ্ন নদীর তীর থেকে শুরু করে দপদপিয়া ব্রিজ এবং এর পরবর্তী ফেরিঘাটের পূর্ব দিক পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেলে মানুষের সমাগম ঘটে। বিভিন্ন বন্ধু-দল বা সংগঠনের সদস্যরা টিম বা গ্রুপ আকারে ইফতারের খাবার নিয়ে এসে নদীর তীরে বসে একসঙ্গে ইফতার করেন। ইফতার শেষে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে আবার যে যার গন্তব্যে ফিরে যান।

নদীর পাড়ের মনোরম পরিবেশ, কীর্তনখোলার শীতল বাতাস এবং সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য অনেকের কাছেই এক অন্যরকম অনুভূতি এনে দেয়। অনেকেই জানান, ব্যস্ত নগর জীবনের ক্লান্তি দূর করতে এই নদীর তীরে বসে ইফতার করা যেন এক বিশেষ প্রশান্তির মুহূর্ত।

তবে আগত দর্শনার্থীদের অবাধ বিচরণের জন্য নদীর তীর ঘেঁষে একটি মেরিন ড্রাইভ ধাঁচের নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে একদিকে যেমন নদীর পাড় সংরক্ষণ হবে, অন্যদিকে জায়গাটি আরও দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে বলে তারা মনে করেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন করা হলে কীর্তনখোলা নদীর তীর ভবিষ্যতে বরিশালের অন্যতম আকর্ষণীয় বিনোদন ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হতে পারে।