রোজ শনিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০৮


শিরোনামঃ
বরিশালে চাকরিপ্রত্যাশী যুব প্রজন্মের মানববন্ধন বি এম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শামসুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে বি এম কলেজ অর্থনীতি বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর মোঃ ইসহাক আলী খন্দকার ও সম্পাদক মোঃ আখতারুজ্জামান খান গভীর শোক প্রকাশ একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী’র শোক প্রকাশ অর্থনীতি বিভাগ বিতর্ক ক্লাবের আয়োজনে ‘ক্যারিয়ার’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ আর নেই। উজিরপুরে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত কিশোর প্রেমের গল্প (১ম পর্ব) শর্তময় ভালোবাসার শেষ পরিনতি (শেষ পর্ব) শর্তময় ভালোবাসার শেষ পরিনতি (২য় পর্ব) ঈদ উল আযহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত|| নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে থাকছে চেকপোস্ট
প্রতি লিটার দুধে ৭শ গ্রাম পানি, বাকি ৩শ গ্রামে চকপাউডার আর ময়দা

প্রতি লিটার দুধে ৭শ গ্রাম পানি, বাকি ৩শ গ্রামে চকপাউডার আর ময়দা

অনলাইন ডেস্কঃ ভৈরবে ইউএনওকে দেখে দৌড়ে পালিয়েছে এক গোয়ালা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন শহরের জগনাথপুর এলাকার বিনি বাজারে গেলে এ ঘটনাটি ঘটে। তিনি পুলিশ নিয়ে ওই বাজারে গেলে এক গোয়ালা তার বালতির দুধ রাস্তায় রেখেই দৌড় দিয়ে পালিয়ে যায়। তার দৌড় দেখে পাশের আরও তিনজন গোয়ালা একইভাবে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ সময় অভিযানে থাকা পৌর স্যানেটারি পরিদর্শক নাসিমা বেগম গোয়ালাদের বালতির দুধ পরীক্ষা করলে দেখতে পায় ভেজাল দুধ আছে বালতিতে। প্রতি লিটার দুধে ৭০০ গ্রাম করে পানি আছে এবং দুধে মেশানো হয়েছে চক পাউডার আর ময়দা। পুরো দুধেই ভেজাল।

এ বাজারে রমজান মাসের আগেও দুধ বিক্রি হতো। কিন্তু রমজান মাসের শুরুতেই দুধ বিক্রির পরিমাণ বেড়ে যায়। এরপর ইউএনও ভেজাল দুধ বালতি থেকে ড্রেনে ফেলে দেয়। গোয়ালাদের ধরতে না পারায় তাদের জরিমানা করা সম্ভব হয়নি।

স্যানেটারি পরিদর্শক নাসিমা বেগম বলেন, বিনিবাজারে রমজানের আগেও অভিযান চালিয়েছি। তখনও দুধে ভেজাল পেয়েছি। তবে ভেজালে তখন পানির পরিমাণ কম ছিল। গোয়ালারা চক পাউডার, ময়দাসহ নানা কেমিক্যাল দিয়ে দুধের রং ও গাঢ় করতো। ক্রেতারা না চিনে সুন্দর কালার দেখে ভেজাল দুধ কিনতো।

তিনি বলেন, রমজানের আগে প্রতি লিটার দুধের দাম ছিল ৪৫/৫০ টাকা। আর রমজান আসার পর বিক্রি হচ্ছে ৬০/৭০ টাকা। এ কারণে গোয়ালরা অবাধে গরুর দুধে ভেজাল করে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে। তবে বাজারে কিছু কিছু গোয়ালের কাছে ভেজালহীন দুধ পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান।

ভৈরবের এ বিনি বাজারে পার্শ্ববর্তী গ্রাম মাহমুদাবাদ, নারায়নপুর, রায়পুরা থেকে প্রতিদিন দুধ আসে। এলাকার মানুষ খাঁটি দুধ মনে করে এসব দুধ কিনে খাচ্ছে। কৃষকদের দাবি, আমরা বাড়িতে গাভি পালন করে খাঁটি দুধ গোয়ালাদের কাছে বিক্রি করছি। তারা দুধে ভেজাল মিশ্রণ করে বিক্রি করে।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন জানান, কি করবো বলুন? শহরের সবকিছুতেই ভেজাল। দুধের মধ্যে চক পাউডার আর ময়দা মেশানো জঘন্য অপরাধ। ভৈরবের সেমাই, মশলা, খেজুর, রেস্তোরাঁ যেখানেই যায় শুধু ভেজাল আর ভেজাল। ভেজাল ধরতে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালত করে অভিযান চালাচ্ছি।

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৮২২৮১৫৭৪৮

Md Saiful Islam