রোজ বুধবার, ২৫শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:২৯


শিরোনামঃ
বরিশালে ২০২৫ পিস ইয়াবাসহ ইয়াবা ব্যাবসায়ী আটক বরিশালে ০৭ কেজি গাঁজা সহ আটক ০২ বিঘাই ও পায়রা নদীর ভাঙ্গন হতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস এলাকা রক্ষা প্রকল্পটি পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি। চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বরিশালে ৩ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী দম্পতি আটক ডেন্টালে জাতীয় মেধায় প্রথম হয়েছেন নাসরিন সুলতানা ইভা সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হলেন লাকুটিয়ার সন্তান সৌরভ রায়। মেহেন্দিগঞ্জে গলায় খাবার আটকে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু বরিশালে বিএমপি’র অভিযানে গাঁজাসহ দুই গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার বরিশালে ৫ কেজি গাঁজাসহ আটক দুই।
ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ক্রমেই বিপদ সীমা অতিক্রম করছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ক্রমেই বিপদ সীমা অতিক্রম করছে।

অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ ক্রমেই বেড়েই চলেছে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি। শনিবার সকাল ৯টায় নদের ফুলছড়ি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।



শুক্রবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদ সীমার চার সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।



এদিকে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি বেড়ে নদী তীরবর্তী চরসহ নিম্নাঞ্চলের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ।



বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, যমুনা নদীবেষ্টিত সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, পালপাড়া, চিনিরপটল, চকপাড়া, পবনতাইড়, থৈকরপাড়া, বাশহাটা, মুন্সিরহাট, গোবিন্দি, নলছিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। তিস্তা, ঘাঘট নদীবেষ্টিত সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানির স্রোতে বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই এলাকার লোকজনের মাঝে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। বসতবাড়িতে বন্যার পানি ওঠায় গবাদি পশু নিয়ে অনেকে পড়েছেন বিপাকে। তবে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা বা তথ্য এখনও জেলা-উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।



এদিকে নদ-নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্রোতের তীব্রতাও। এতে ব্যাপক রূপ ধারণ করেছে নদী ভাঙন। ফলে গত দু’সপ্তাহে নদী ভাঙনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডিপুর, কাপাসিয়া, তারাপুর, বেলকা, হরিপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের আবাদি জমি, রাস্তাসহ শতাধিক বাড়িঘর এবং শতাধিক একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।



সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম জাকির বলেন, দুই বছরে এ ইউনিয়নের মাঝিপাড়া, গোঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অন্তত পাঁচ শতাধিক পরিবার বসতভিটা, আবাদি জমি, হারিয়েছে। এছাড়াও মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বিলীন হয়ে গেছে নদীগর্ভে। কোনো প্রতিকার মিলছে না।

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৮২২৮১৫৭৪৮