নিজস্ব প্রতিবেদন// আজ ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার বরিশাল নগরীর কালিবাড়ি রোডে অবস্থিত মমতা স্পেশালাইজড হাসপাতলের লিফটের নীচে এক চিকিৎসকের লাশ পওয়া গেছে।
নিহত চিকিৎসকের নাম ডাঃ এম এ আজাদ সজল। তিনি শেবাচিম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান ছিলেন। তিনি বিকালে এই ক্লিনিকেই প্রাইভেট প্রাকটিস করত।
এই ক্লিনিকের ৭ম তলার ডরমিটরিতে বসবাস করতেন।তারঁ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরুপকাঠীতে তিনি নিজের পরিবার নিয়ে ঢাকার কেরানিগঞ্জে থাকতেন। দেশে চলমান লকডাউনের জন্য পরিবার থেকেও দুই তিন মাস দূরে ছিলেন। মঙ্গলবার সেহেরির সময় তার স্ত্রী ঢাকা থেকে ফোনে যোগযোগ করে না পাওয়ায় মমতা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার রুমে তালা দেয়া দেখে পুলিশে খবর দেয়। সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে ওই কক্ষের তালা ভাঙ্গা হয়। এরপর খোঁজাখুঁজি করে হাসপাতালের নীচতলায় লিফটের নীচে তার লাশ দেখতে পান হাসপাতালের এক কর্মী। তবে এই মৃত্যুকে প্রাথমিকভাবে সন্দেহজনক বলে মনে করছেন স্বজনরা।
প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঐ হাসপাতালের ৯ জনকে আটক করা হয়।

তবে এই মৃত্যু দুর্ঘটনা হতে পারে বলে মনে করছেন মমতা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ জহিরুল হক মানিক।
বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন জানান, সে খুব ভালো চিকিৎসক ছিল। আর সে আমাদের হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের একমাত্র চিকিৎসক ছিল। তার এমন মৃত্যু কাম্য ছিল না।
এদিকে তদন্ত শেষে এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানালেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (দক্ষিণ) মোকতার হোসেন।
মৃত চিকিৎসকের মোবাইল ও চশমা ছিল মমতা হাসপাতালের রুমের মধ্যে। সুরতহাল শেষে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বার্তা কক্ষ 









