ঢাকা 4:23 am, Wednesday, 11 March 2026

ভাইরাসজনিত পুরনো অসুখেই তৈরি হচ্ছে করোনা প্রতিরোধী ক্ষমতা

সাইফুল ইসলাম।। ভাইরাসজনিত পুরনো অসুখই নভেল করোনাভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষায় সাহায্য করতে পারে। এ থেকে সৃষ্ট করোনাপ্রতিরোধী ক্ষমতা শরীরে টিকে থাকতে পারে টানা ১৭ বছর পর্যন্ত। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের ডিউক-এনইউএস মেডিকেল স্কুলের ইমিউনোলজিস্ট প্রফেসর আন্তোনিও বার্তোলেত্তির নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন চমকপ্রদ তথ্য।

গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা আগে নভেল করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত ভাইরাসগুলোতে (বেটাকরোনাভাইরাস) আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের শরীরে করোনাপ্রতিরোধী একধরনের ক্ষমতা তৈরি হতে পারে অথবা তারা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলেও সামান্য ভুগতে পারেন।

ঠাণ্ডাজনিত অসুখের ৩০ শতাংশের পেছনেই করোনাভাইরাসের ভূমিকা রয়েছে বলে ধরা হয়। তবে তাদের মধ্যে কতগুলো বেটাকরোনাভাইরাস প্রকৃতির তা এখনও নিশ্চিত নয়।

গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, একই জাতীয় ভাইরাস সংক্রমণের কারণে অনেক বছর আগে থেকেই মানবদেহে মেমোরি টি-সেলের (একধরনের শ্বেত রক্তকণিকা) মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এমনকি সার্স, মার্স বা সার্স-কভ-২ আক্রান্ত না হলেও কিছু মানুষের শরীরে এ ধরনের প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা।

কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়া ২৪ জন, সার্স থেকে সুস্থ ২৩ জন এবং সার্স বা কোভিড-১৯ কোনোটাইতে আক্রান্ত না হওয়া ১৮ জনের ওপর এ গবেষণা পরিচালিত হয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ২০০৩ সালের সার্স মহামারির সময় যারা আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছিলেন তাদের মধ্যে অনেকেরই কোভিড-১৯ প্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়টি যথোপযুক্তভাবে প্রমাণে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাইরাসজনিত পুরনো অসুখেই তৈরি হচ্ছে করোনা প্রতিরোধী ক্ষমতা

আপডেট সময় : 12:15:09 pm, Friday, 12 June 2020

সাইফুল ইসলাম।। ভাইরাসজনিত পুরনো অসুখই নভেল করোনাভাইরাসের হাত থেকে সুরক্ষায় সাহায্য করতে পারে। এ থেকে সৃষ্ট করোনাপ্রতিরোধী ক্ষমতা শরীরে টিকে থাকতে পারে টানা ১৭ বছর পর্যন্ত। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের ডিউক-এনইউএস মেডিকেল স্কুলের ইমিউনোলজিস্ট প্রফেসর আন্তোনিও বার্তোলেত্তির নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন চমকপ্রদ তথ্য।

গবেষকরা জানিয়েছেন, যারা আগে নভেল করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত ভাইরাসগুলোতে (বেটাকরোনাভাইরাস) আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের শরীরে করোনাপ্রতিরোধী একধরনের ক্ষমতা তৈরি হতে পারে অথবা তারা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলেও সামান্য ভুগতে পারেন।

ঠাণ্ডাজনিত অসুখের ৩০ শতাংশের পেছনেই করোনাভাইরাসের ভূমিকা রয়েছে বলে ধরা হয়। তবে তাদের মধ্যে কতগুলো বেটাকরোনাভাইরাস প্রকৃতির তা এখনও নিশ্চিত নয়।

গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, একই জাতীয় ভাইরাস সংক্রমণের কারণে অনেক বছর আগে থেকেই মানবদেহে মেমোরি টি-সেলের (একধরনের শ্বেত রক্তকণিকা) মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। এমনকি সার্স, মার্স বা সার্স-কভ-২ আক্রান্ত না হলেও কিছু মানুষের শরীরে এ ধরনের প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা।

কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়া ২৪ জন, সার্স থেকে সুস্থ ২৩ জন এবং সার্স বা কোভিড-১৯ কোনোটাইতে আক্রান্ত না হওয়া ১৮ জনের ওপর এ গবেষণা পরিচালিত হয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ২০০৩ সালের সার্স মহামারির সময় যারা আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছিলেন তাদের মধ্যে অনেকেরই কোভিড-১৯ প্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়টি যথোপযুক্তভাবে প্রমাণে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।