ঢাকা 6:18 pm, Tuesday, 10 March 2026

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের দাবীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্কঃ সারাদেশে ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ‘ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড চাই’ লেখা সম্বলিত ব্যানার ব্যবহার করা হয় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে। সেই সঙ্গে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ মানবন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন থেকে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে বিচার করে ধর্ষককে ফাঁসিতে ঝোলানোর দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইভেন্ট খুলে এ কর্মসূচির ডাক দেন শিক্ষার্থীরা। এতে শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিক অংশ নেন। তাদের দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আগামীকাল তাঁরা গণ স্বাক্ষর সংগ্রহ করবে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। তাদের প্রকাশ্য শাস্তি চাই। অন্যান্য অপরাধের প্রকাশ্যে বিচার হলেও ধর্ষকদের বিচার হয় না। আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে বেড়িয়ে যায়। ধর্ষণ একটা খুনের চেয়ে কোনো অংশে ছোট না। ধর্ষণের শাস্তি যদি মৃত্যুদণ্ড হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবে ধর্ষকরা ভয় পাবে।

পরিবেশ বিজ্ঞানী কানিজ আকলিমা সুলতানা বলেন, ‘ধর্ষণ, জন নির্যাতন এখন মহামারী আকার ধারণ করেছে। যেকোনো মহামারি সরকার চাইলে রুখতে পারে। প্রশাসন যদি তাদের এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার সাথে সংযুক্ত থেকে খোঁজ-খবর নেয় তাহলে খুব স্বল্প সময়ে এই ধর্ষণ রোধ করা সম্ভব। একটা ধর্ষণ হলে পুরো পারিবারিক কাঠামো ভেঙ্গে যায়। ঐ পরিবারটি আর কোনোদিন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। তাই আমরা চাই ধর্ষকদের শাস্তি হোক মৃত্যুদণ্ড।’

মানববন্ধনে আসার সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করে সেগুলোতে লেখা ছিল -‘শিশুকামীদের ফাঁসি চাই, মৃত্যুদণ্ড চাই’, ‘ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চাই’, ‘বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে বিচার করে ধর্ষককে দড়িতে ঝোলাতে হবে’, ‘বিকৃত মানুষরুপী জানোয়ারমুক্ত সমাজ দাবি নয়, অধিকার..’, ‘নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি’ ইত্যাদি।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের দাবীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন

আপডেট সময় : 08:59:50 pm, Tuesday, 9 July 2019

অনলাইন ডেস্কঃ সারাদেশে ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ‘ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড চাই’ লেখা সম্বলিত ব্যানার ব্যবহার করা হয় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে। সেই সঙ্গে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ মানবন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন থেকে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে বিচার করে ধর্ষককে ফাঁসিতে ঝোলানোর দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইভেন্ট খুলে এ কর্মসূচির ডাক দেন শিক্ষার্থীরা। এতে শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিক অংশ নেন। তাদের দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আগামীকাল তাঁরা গণ স্বাক্ষর সংগ্রহ করবে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। তাদের প্রকাশ্য শাস্তি চাই। অন্যান্য অপরাধের প্রকাশ্যে বিচার হলেও ধর্ষকদের বিচার হয় না। আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে বেড়িয়ে যায়। ধর্ষণ একটা খুনের চেয়ে কোনো অংশে ছোট না। ধর্ষণের শাস্তি যদি মৃত্যুদণ্ড হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবে ধর্ষকরা ভয় পাবে।

পরিবেশ বিজ্ঞানী কানিজ আকলিমা সুলতানা বলেন, ‘ধর্ষণ, জন নির্যাতন এখন মহামারী আকার ধারণ করেছে। যেকোনো মহামারি সরকার চাইলে রুখতে পারে। প্রশাসন যদি তাদের এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার সাথে সংযুক্ত থেকে খোঁজ-খবর নেয় তাহলে খুব স্বল্প সময়ে এই ধর্ষণ রোধ করা সম্ভব। একটা ধর্ষণ হলে পুরো পারিবারিক কাঠামো ভেঙ্গে যায়। ঐ পরিবারটি আর কোনোদিন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। তাই আমরা চাই ধর্ষকদের শাস্তি হোক মৃত্যুদণ্ড।’

মানববন্ধনে আসার সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করে সেগুলোতে লেখা ছিল -‘শিশুকামীদের ফাঁসি চাই, মৃত্যুদণ্ড চাই’, ‘ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চাই’, ‘বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে বিচার করে ধর্ষককে দড়িতে ঝোলাতে হবে’, ‘বিকৃত মানুষরুপী জানোয়ারমুক্ত সমাজ দাবি নয়, অধিকার..’, ‘নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি’ ইত্যাদি।