ঢাকা 9:20 am, Wednesday, 11 March 2026

২০ লাখ টাকার কালা মানিক দাম বলছে না ৩ লাখও

অনলাইন নিউজঃ
দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ পশুর হাট চট্টগ্রামের সাগরিকা বাজারের সবচেয়ে বড় গরুটির নাম কালা মানিক। শুরুতে ২০ লাখ টাকা দাম হাঁকা হলেও ঈদের আগেরদিন (রোববার) শেষ মুহূর্তে গরুটির দাম তিন লাখ টাকাও বলছে না কেউ। শুধু কালা মানিক নয়, চট্টগ্রাম নগরের ৯টি পশুর হাটের প্রতিটির অবস্থা এখন এমনিই। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ ব্যাপারিরা।

রোববার দুপুরে সাগরিকা পশুর হাটের ব্যাপারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পশু বিক্রি এবং কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে তারা হতাশ। শনিবার পর্যন্ত পশুর দাম যথেষ্ট ভালো পেলেও আজ সকাল থেকে পশুর দাম কমে গেছে। জীবিকার তাগিদে অনেকেই অপেক্ষাকৃত কম দামে পশু বিক্রি করে দিয়েছেন। আবার অনেক ব্যবসায়ী দাম না পাওয়ায় পশু বিক্রি করতে পারেননি।

সাজিদ এ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী সালাহউদ্দিন বলেন,নিজের ফার্মে মোটাতাজা করা ২৫টি গরু নিয়ে হাটে এসেছিলাম। মাত্র ১০টি বিক্রি করেছি, তাও লোকসানে। খামারের সবচেয়ে বড় গরুটার দাম চেয়েছিলাম ২০ লাখ টাকা। শুরুর দিকে ৮-১০ লাখ টাকায় অনেকে কিনতে চাইলেও, এখন ৩ লাখ টাকাও কেউ বলছেন না।’

তিনি বলেন, ‘যে ১০টি গরু বিক্রি করেছি, এর প্রতিটিতে ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লোকসান দিয়েছি। শেষদিনে বাজারে ক্রেতাও কম, দামও কম বলছে।’

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০ লাখ টাকার কালা মানিক দাম বলছে না ৩ লাখও

আপডেট সময় : 05:42:57 pm, Sunday, 11 August 2019

অনলাইন নিউজঃ
দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ পশুর হাট চট্টগ্রামের সাগরিকা বাজারের সবচেয়ে বড় গরুটির নাম কালা মানিক। শুরুতে ২০ লাখ টাকা দাম হাঁকা হলেও ঈদের আগেরদিন (রোববার) শেষ মুহূর্তে গরুটির দাম তিন লাখ টাকাও বলছে না কেউ। শুধু কালা মানিক নয়, চট্টগ্রাম নগরের ৯টি পশুর হাটের প্রতিটির অবস্থা এখন এমনিই। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ ব্যাপারিরা।

রোববার দুপুরে সাগরিকা পশুর হাটের ব্যাপারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পশু বিক্রি এবং কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে তারা হতাশ। শনিবার পর্যন্ত পশুর দাম যথেষ্ট ভালো পেলেও আজ সকাল থেকে পশুর দাম কমে গেছে। জীবিকার তাগিদে অনেকেই অপেক্ষাকৃত কম দামে পশু বিক্রি করে দিয়েছেন। আবার অনেক ব্যবসায়ী দাম না পাওয়ায় পশু বিক্রি করতে পারেননি।

সাজিদ এ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী সালাহউদ্দিন বলেন,নিজের ফার্মে মোটাতাজা করা ২৫টি গরু নিয়ে হাটে এসেছিলাম। মাত্র ১০টি বিক্রি করেছি, তাও লোকসানে। খামারের সবচেয়ে বড় গরুটার দাম চেয়েছিলাম ২০ লাখ টাকা। শুরুর দিকে ৮-১০ লাখ টাকায় অনেকে কিনতে চাইলেও, এখন ৩ লাখ টাকাও কেউ বলছেন না।’

তিনি বলেন, ‘যে ১০টি গরু বিক্রি করেছি, এর প্রতিটিতে ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লোকসান দিয়েছি। শেষদিনে বাজারে ক্রেতাও কম, দামও কম বলছে।’