ঢাকা 12:41 am, Thursday, 12 March 2026

সাবাস বাংলাদেশ!! সাবাস বাঙ্গালী!!! আমরা বাঙ্গালীরা সব পারি

শাওন অরন্য:: ইতালির চেয়েও কয়েকগুণ খারাপ পরিস্থিতি হতে পারে বাংলাদেশে!!!

করোনা ভাইরাসের প্রভাব পরেছে বাংলাদেশে। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের, চিকিৎসাধীন আছে ৩৯ জন। দেশের এমন অবস্থায় ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ এড়াতে সরকার পর্যায়নুক্রমে সরকারি-বেসরকারি সকল দপ্তর ২৬ মার্চ থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটির ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি অনির্দিষ্টকালীন সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করা হয়েছে সড়ক পথ, যাত্রীবাহি নৌযান চলাচলেও ।

কথায় আছে আমরা বাঙ্গালীরা সব পারি, তাই আমাদের মনে ঈদের আনন্দ লেগেছে। সবাই করোনা ভাইরাসের আতংকের কথা ভুলে গেছে টানা ১০ দিনের ছুটি পেয়ে সবাই ছুটছে বাড়ির পানে। অথচ সরকার নির্দেশ দিয়েছেন ছুটিতে ঘরে বসে থাকার জন্য। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ এড়াতে সবাইকে বাসায় থাকার নির্দেশ দিলেও তা না মেনে সবাই বাড়ির দিকে যাচ্ছে। বাস টার্মিনাল, লঞ্চ ঘাঁট, রেল স্টেশনে উপচে পরা ভিড়। কারোই হুস নেই। এই কারনেই করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়াতে পারে। নিজে আক্রান্ত হতে পারে। পারে অন্যকে আক্রান্ত করতে। সবারই একটাই হুস বাড়ি যেতে হবে। কেউ এটা ভাবছে না যে, আক্রান্ত ব্যাক্তি তার পরিবার সহ প্রতিবেশি সবাইকে আক্রান্ত করে ফেলতে পারে।

এভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হবে এক থেকে দুই, তার পর দুই থেকে চার। এর পর অসংখ্য। সবাই তখন দোষারোপ করবে সরকার করোনা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু একটি বার কি ভেবে দেখেছেন আসলে দোষটা কার? আমাদের কি সচেতন হবার সময় এখনো আসেনি? আমরা কি সচেতন হবো না ???

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবাস বাংলাদেশ!! সাবাস বাঙ্গালী!!! আমরা বাঙ্গালীরা সব পারি

আপডেট সময় : 02:13:54 pm, Wednesday, 25 March 2020

শাওন অরন্য:: ইতালির চেয়েও কয়েকগুণ খারাপ পরিস্থিতি হতে পারে বাংলাদেশে!!!

করোনা ভাইরাসের প্রভাব পরেছে বাংলাদেশে। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের, চিকিৎসাধীন আছে ৩৯ জন। দেশের এমন অবস্থায় ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ এড়াতে সরকার পর্যায়নুক্রমে সরকারি-বেসরকারি সকল দপ্তর ২৬ মার্চ থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটির ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি অনির্দিষ্টকালীন সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারি করা হয়েছে সড়ক পথ, যাত্রীবাহি নৌযান চলাচলেও ।

কথায় আছে আমরা বাঙ্গালীরা সব পারি, তাই আমাদের মনে ঈদের আনন্দ লেগেছে। সবাই করোনা ভাইরাসের আতংকের কথা ভুলে গেছে টানা ১০ দিনের ছুটি পেয়ে সবাই ছুটছে বাড়ির পানে। অথচ সরকার নির্দেশ দিয়েছেন ছুটিতে ঘরে বসে থাকার জন্য। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপ এড়াতে সবাইকে বাসায় থাকার নির্দেশ দিলেও তা না মেনে সবাই বাড়ির দিকে যাচ্ছে। বাস টার্মিনাল, লঞ্চ ঘাঁট, রেল স্টেশনে উপচে পরা ভিড়। কারোই হুস নেই। এই কারনেই করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়াতে পারে। নিজে আক্রান্ত হতে পারে। পারে অন্যকে আক্রান্ত করতে। সবারই একটাই হুস বাড়ি যেতে হবে। কেউ এটা ভাবছে না যে, আক্রান্ত ব্যাক্তি তার পরিবার সহ প্রতিবেশি সবাইকে আক্রান্ত করে ফেলতে পারে।

এভাবে করোনা ভাইরাস সংক্রামিত হবে এক থেকে দুই, তার পর দুই থেকে চার। এর পর অসংখ্য। সবাই তখন দোষারোপ করবে সরকার করোনা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু একটি বার কি ভেবে দেখেছেন আসলে দোষটা কার? আমাদের কি সচেতন হবার সময় এখনো আসেনি? আমরা কি সচেতন হবো না ???